গত এক সপ্তাহে হাড় কাঁপানো শীত জেঁকে বসেছে। ফলে যথেষ্ট ভারি কাপড় পড়া ব্যতিত ঘরের বাহিরে বের হওয়া কঠিনে পরিণত হয়েছে। এককথায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নেমে এসেছে শীতের আমেজ। আর এই প্রচন্ড শীতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁয়ে মৌসুমি ব্যবসা শীতের পোশাকের বেচাবিক্রি বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিদ্ধিরগঞ্জস্থ চিটাগাংরোড এবং সোনারগাঁয়ের কয়েকটি মার্কেটে শীতের পোশাক ক্রেতাদের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চিটাগাংরোডের আহসান উল্লাহ্ শপিং সেন্টার,কাসসাফ শপিং সেন্টার, ইউএস শপিংমল,নেকবর আলী শপিংমল ও সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর, এবং মোগরাপাড়ার শীতের জামা-কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতারা ভিড় করছেন। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি জমে উঠেছে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোর বেচা-বিক্রি। লক্ষ্য করা যায়,পন্য কেনার আগ্রহে আসা ক্রেতারা দোকানিদের সঙ্গে দর কষাকষীর মাধ্যমে নিজেদের চাহিদামতো ক্রয় করছেন।
এদিকে ক্রেতা চাপ থাকা সত্বেও শপিংমলের বিক্রেতাদের ভাষ্য,ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানের কারণে আশানুরূপ ক্রেতা তারা পাচ্ছে না।
ছেলে-মেয়ের জন্য শীতের পোশাক কিনতে এসেছেন এক দম্পতি। তারা বলেছেন,এবছর পোশাক না কিনলেও চলতো। তবে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাচ্চাদের জন্য নিতে এসেছি।
ব্লেজার কিনেছেন তরুণ শিক্ষার্থী সাগর। এই যুবক জানান,প্রতিবছরই শীতের মৌসুমে নতুন পোশাক কেনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এই বছর আজ ব্লেজার কিনেছি। মার্কেটে ভালো চাপ রয়েছে।
মোগরাপাড়া চৌরাস্তার ফুটপাতের দোকানি শাহ নিজাম জানান, ডিসেম্বরের শেষদিকে শীত বাড়াতে বিক্রি বেড়েছে। এরআগে অলসতায় সময় কাটিয়েছি। আমরা বাচ্চাদের পন্য বিক্রি করায় এখন ভালো কাস্টমার পাচ্ছি।
চিটাগাংরোডের কাসসাফ শপিং সেন্টারের সামনের ফুটপাতের ব্যবসায়ী সাব্বির বলেন, এই সপ্তাহে বেশি শীত পড়ায় সোয়েটার আর মোটা টাউজার বেশি বিক্রি হচ্ছে। এতোদিন তো কাস্টমার পাওয়া যায়নি।
আলাল নামের মার্কেটের এক রেডিমেড ব্যবসায়ী বলেছেন, নভেম্বর-ডিসেম্বর বসে বসে সময় কাটিয়েছি। ডিসেম্বরের শেষদিকে ভালো কাস্টমার পাচ্ছি। তবে ফুটপাতের জন্য আমরা কাস্টমার বেশি পাইনা।









































আপনার মতামত লিখুন :