সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ, দৃষ্টি জুড়ে হলুদের অপার সৌন্দর্যের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়, শুধুই হলুদ রঙের বিস্তৃতি। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে উড়ে বসা- এ যেন মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা। এহেন চিত্র নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের।
জানা গেছে, শহরের যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি পেতে একটু শান্তির খোঁজে মানুষ ছুটে আসছেন গ্রামীণ এই মনোরম পরিবেশে। মাঠগুলো যেন প্রকৃতির সাজানো হলুদ গালিচায় পরিণত হয়েছে। নীল আকাশের নিচে বিস্তৃত মাঠ জুড়ে হলুদের সমারোহ এক অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্ম দেয়, যা মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছরই সরিষা ক্ষেত পরিদর্শনে আসছেন শত শত দর্শনার্থী। কেউ সরিষা ক্ষেতের মাঝে কেউ বসে, আবার কেউ দলবেঁধে ছবি ও সেলফি তোলায় ব্যস্ত। তবে ছবি তোলার জন্য দর্শনার্থীরা ক্ষেতের গভীরে ঢুকে ফসল নষ্ট করায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা। যে কারণে ক্ষেতের পাশে দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে দেখা যায় কৃষকদের।
কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তারা সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে এসেছেন। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। সরিষা ক্ষেতে আসলে সময়টা খুবই চমৎকার কাটে।যে কারণে তারা প্রতি বছরই এখানে আসেন।
এদিকে দর্শনার্থীদের পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে কচি সরিষা গাছ নষ্ট হলেও তাদের দেখে ভালই লাগে বলে জানান একজন কৃষক। দর্শনার্থীদের আনন্দ উচ্ছাস দেখে তার ভালই লাগে বলে জানান।
সরিষা ফুল শুধু ফসলের প্রতীক নয়, বরং এটি প্রকৃতি, শিল্প ও মানুষের আনন্দের এক মিলনস্থল, যা প্রতি বছর দর্শকদের মুগ্ধ করে।









































আপনার মতামত লিখুন :