ঢাকা ইস্ট ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নারায়ণগঞ্জের সম্ভাব্য ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় অসংখ্য বসতি পড়েছে। এ সব জমির মালিকরা কাঙ্খিত ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার শঙ্কা থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা ১০ টায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে জালকুড়ি গ্রামের মানুষ অংশ নেন।
এলাকাটির অন্তত শতাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, জালকুড়ি মৌজায় প্রতি শতাংশ নাল জমির মূল্য ৫ লাখ ২২ হাজার, কুতুবপুরে ৮ লাখ ৭৩ হাজার, আর শিয়াচরে ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। অধিগ্রহণ আইন ২০১৭ অনুযায়ী, ৩ গুন মূল্য দেওয়া হলে জালকুড়িতে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার, কুতুপুরে ২৫ লাখ ও শিয়ারচরে ১৮ লাখ করে টাকা করে পাওয়ার কথা। কিন্তু শিল্প অধ্যুষিত নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি, কুতুবপুর ও শিয়ারচরে প্রতি শতাংশ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা শতাংশ। স্থান ভেদে কোথাও কোথাও ৫০ লাখ টাকাও বিক্রি হয়।
কিন্তু দলিল রেজিষ্ট্রেশনের সময় মানুষ ট্যাক্স ফাঁকির প্রবণতা থেকে সরকার নির্ধারিত মৌজা রেটে রেজিষ্ট্রেশন করে স্থানীয়রা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। এছাড়া অধিগ্রহণের পর সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে নতুন করে বাড়ি করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা ব্যক্তিরা সম্ভাব্য প্রকল্পটি না করতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া আশ্বস্ত করলে বাড়ি ফিরে যান মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মানুষ।
আপনার মতামত লিখুন :