News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২

২২ মামলার আসামি দুর্ধর্ষ সুজন অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | বন্দর প্রতিনিধি প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম ২২ মামলার আসামি দুর্ধর্ষ সুজন অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার

বন্দরে বিদেশী রিভালবার ও ৭ রাউন্ড গুলি সহ ২২ মামলার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি অভিযানিক দল। গ্রেপ্তারকৃতরা বন্দররে মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকার মতিন মিয়ার ছেলে সুজন (২৯) ও একই এলাকায় মৃত আলী মিয়ার ছেলে রুবেল (৩৫)। মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মদনপুরের চাঁনপুরে গ্রেপ্তারকৃত সুজনের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী রিভলবার ও ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায় গ্রেপ্তারকৃত সুজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, খুন সহ অন্তত ২২টি মামলা রয়েছে। নতুন করে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে।

র‍্যাব-১১ তথ্য সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজন ও তার বাহিনী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মাধ্যমে আতঙ্কের জনপথ তৈরি করে রেখেছে। সুজনের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, জমিদখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মদনপুর ও চাঁনপুরসহ এর আশেপাশের  এলাকায় যেকোনো নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত 'মাসোহারা' আদায় করার ও অভিযোগ রয়েছে। সুজন তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করে। ভুক্তভোগীদের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া অথবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার ঘটনায় সে এলাকায় কুখ্যাত। আধিপত্য বজায় রাখতে সুজন প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে আসছিল। সুজন বাহিনীর ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে। তার সরাসরি তত্ত্বাবধান এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজন ও তার সহযোগীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আনতে র‍্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এর ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১১, সিপিএসসি এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালণা করে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।