নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার পাচঁরুখিতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, খেজুর গাছ আমাদের ভাই-কাসেমী সাহেব আমাদের সাথে দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন। এমন বার্তা দেয়া পর থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপি পর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি একাংশ নেতারা কাসেমীকে জয়ী করার একাট্টা হয়েছেন।
২৪ জানুয়ারি মডেল গ্রুপে নব্য যোগদানকারী মাসুদুজ্জামান মাসুদের অফিস কক্ষে সাক্ষাত করতে আসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী। ওই সময়ে মাসুদুজ্জামান মাসুদের বলয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। মহানগর বিএনপি আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু উপস্থিত না থাকলেও যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, সদস্য এডভোকেট শরীফুল ইসলাম, সদস্য ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, নাসিক ১২নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, নাসিক ১৩নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি নেতা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মহানগর কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাজি মনির, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পলাশ ও সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ফতুল্লা কেমন চান শীর্ষক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক বিএনপি এমপি মোহাম্মদ আলী। তিনি এখনো গণসংযোগে দেখা না গেলেও নির্বাচনী বিভিন্ন এলাকা যুব সমাজ ও মুরব্বীদের সাথে বৈঠক করে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক নেতাদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম। দল নয় ব্যক্তিকে ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।
বিএনপির সাবেক এই তিন নেতাই এখন জোটের প্রার্থীকে পরাজিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। মোহাম্মদ আলী, শাহ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের কৌশলে হুচটের আশংকা বিএনপি জোট প্রার্থীর। গুঞ্জন উঠেছে- তারা তিনজনের মধ্যে একজনই নির্বাচনে মাঠে থাকবেন। এর আশংকায় এখন বিএনপির জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী ফতুল্লা থানা বিএনপি পাশাপাশি এখন মহানগর বিএনপি বর্তমান ও সাবেক নেতাদের নিয়ে এক টেবিলে বসেছেন। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি বঞ্চিত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের অফিসে গিয়ে উঠেছেন কাসেমী। সেখানে মাসুদের বলয়ের সাথে ফটো সেশন ও নির্বাচনে বৈরীতা তুলতে একহাট্টা হয়েছেন।
মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন, অতীতে যারা এই এলাকার ক্ষমতায় ছিল, তারা এখানে মাদকের সয়লাব করে দিয়ে গেছে। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করব। আমার নিজের দলে যারা অসৎ ও বিতর্কিত ছিল, তাদের আমি অনেক আগেই দূরে সরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বর্তমানে যারা নির্বাচন করছেন তাদের চারপাশে মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু এবং চাঁদাবাজরা ঘুরঘুর করছে। এরা যদি নির্বাচিত হয়, তবে এই শান্ত এলাকা ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই আপনাদের প্রতি অনুরোধ, মার্কা দেখে নয়, বরং ব্যক্তি বিবেচনা করে এবং অতীতের কর্মকাণ্ড দেখে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিন।
মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বলেছেন, বিএনপি ধানের শীষের আরেক শাঁস, তার নাম খেজুর গাছ। আমরা এই দুইটার মধ্যে কোনো পার্থক্য করতে চাই না। মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আপনাদের হাতেই। ধানের শীষ তথা খেজুর গাছের মান-সম্মান বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থক ভোটাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর ছেড়ে দিয়ে গেলাম।


































আপনার মতামত লিখুন :