বিদেশি পিস্তল, গুলিসহ বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা বজলুর রহমান ওরফে ‘ডন বজলু’কে আটক র্যাব। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকা থেকে তিন সহযোগীসহ তাকে আটক করা হয়।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন জানান, অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ডন বজলুর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন ইউনুস ওরফে বাদল (২০), সাইদুল (৩৪) ও আব্দুল জব্বার (৪২)।
তাদের প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
সম্প্রতি সোনারগাঁওয়ে অস্ত্র কেনাবেচা ও মজুদের আলোচনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র্যাব-১১ এ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ভাইরাল ভিডিও ঘিরেই অভিযান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়—সোনারগাঁওয়ের একটি রেস্টুরেন্টে বৈঠককালে বজলুর রহমানের পাশে বসা এক ব্যক্তি তাকে নির্বাচন সামনে রেখে আরও অস্ত্র সংগ্রহের কথা বলেন। ওই ব্যক্তি পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জাকারিয়া বলে পরিচিত।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই শুরু করে র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোনারগাঁও ও বন্দর উপজেলার বাসিন্দারা জানান, ডন বজলু দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল ও সহিংসতার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
২০২৫ সালের জুন মাসে বন্দর উপজেলার হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুলকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনায় দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন তিনি। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাসহ তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার কোনো অপচেষ্টা দল সমর্থন করে না। কেউ সহিংসতা বা অবৈধ অস্ত্রের সঙ্গে জড়ালে আইন তার নিজস্ব পথে চলবে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








































আপনার মতামত লিখুন :