ফুটপাতে হকার বসতে চাওয়ার দাবিতে শহরে মিছিল করার প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু সাউদ মাসুদ বলেন, আমরা ফুটপাত হাটার জন্য চাই| অঞ্জন এবং ইকবাল এই দুই চাঁদাবাজকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই| হকারদের আজকের মিছিল দেখে আমি অবাক হয়েছি| অবাক হওয়ার পিছনের কারণ হচ্ছে যারা হকার উচ্ছেদের বিষয়ে একমত পোষণ করেছিলেন| তারা এখন হকারদের পুনর্বাসন এবং ফুটপাতে বসানোর জন্য রাস্তায় নেমেছে| এটা আবার কেমন রাজনীতি?
২০ এপ্রিল সকালে শহরের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন কয়েক শতাধিক হকার| পরে তারা বিবি রোডে মিছিল করে নগরভবনের সামনে সমাবেশ করেন| মিছিলের নেতৃত্বে অনেকের সঙ্গেই ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন|
এর পরেই একটি গণমাধ্যমকে আবু সাউদ মাসুদ এসব কথা বলেন| তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই| অঞ্জন দাস নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে এবার নির্বাচন করেছেন| তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৩৮টি| অষ্টম হয়েছেন একই সঙ্গে জামানত হারিয়েছেন| যার নিজের এলাকায় তিনি প্রত্যাখাত হোন সে কিভাবে নারায়ণগঞ্জ শহরে এসে নেতৃত্বের স্থানে বসার চেষ্টা করেন| এটা কি আমরা মেনে নিবো? এটা কি শহরবাসী মেনে নিবে? কোনো অঞ্জন কিংবা নিরঞ্জন যে কেউ হোক তার বিপরীতে আমরা দাঁড়াবো| সিপিবির ইকবাল হোসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন| তিনি ভোট পেয়েছেন ৪১৯টি| তার অবস্থান ছিল নবম| তাকেও দেখা গেলো হকারদের উস্কানির পিছনে মিছিল করতে| এ কেমন কথা| তারা দ্বিমুখী চরিত্র অবল¤^ন করবে| চাঁদার ভাগ কি এখন তারা নিতে চাচ্ছেন| এ প্রশ্ন আমি নগরবাসীকে রেখে গেলাম এবং এদের প্রতিহত করতে সবাই এগিয়ে আসুন| কোনো অবস্থাতেই এদের চাঁদাবাজি করার সুযোগ দেওয়া যাবে না| হকার উচ্ছেদ হয়েছে এবং বলবৎ থাকবে| এটার পিছনে আমরাও থাকবো| আমরা শান্তিপূর্ণ একটি শহর চাই| বর্তমান সরকারও চাচ্ছেন হকারমুক্ত ফুটপাত| আমরা এর সমর্থন জানাচ্ছি| উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন তাদের সঙ্গে আমরা রয়েছি| প্রয়োজনে আমাদের ডাকবেন| আমরাও আপনাদের ডাকে সাড়া দিবো| মিডিয়া থেকে পূর্ণ সমর্থন পাবেন| হকার যাতে আর বসতে না পারে এবং এই অঞ্জন ও ইকবালের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি|




























আপনার মতামত লিখুন :