News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সিদ্ধিরগঞ্জে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম সিদ্ধিরগঞ্জে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ‘জামান জুয়েলার্স’ নামক স্বর্ণ দোকানের ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা উত্তেজিত হয়ে দোকান ঘেরাও করে ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা চালায়।

বুধবার (২০ মে) রাত পৌনে ১১টায় (নাসিক) ৬নং ওয়ার্ডস্থ আদমজী সোনামিয়া মার্কেট এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। 

গ্রাহকদের মধ্যকার সোনিয়া (২২) নামের  সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, অন্তত ৪০-৫০ জন গ্রাহক জামান জুয়েলার্সের সামনে স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ এনে অবস্থান নেন।এসময় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা উত্তেজিত হয়ে জুয়েলার্সটিতে ভাঙচুর চালানোর প্রচেষ্টা চালালে তাৎক্ষণিক সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোয় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। একপর্যায়ে ওই ব্যবসায়ী পুলিশের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে সময় নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

গ্রাহকদের বরাতে জানা গেছে, তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্নজন অর্থের প্রয়োজন পড়লে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বর্ণ বন্ধক রেখে জামান জুয়েলার্স থেকে ঋণ গ্রহণ করে আসছিল। পরবর্তীতে তারা সুদসহ ঋণ পরিশোধ করা সত্ত্বেও গচ্ছিত স্বর্ন ফেরত না দিয়ে সময় ক্ষেপণ করা হয়। মূলত দোকানির এমন কর্মকান্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা জুয়েলার্সটির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

বক্তব্যের জন্য জামান জুয়েলার্সের মালিক মো. জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কল রিসিভ করা ব্যক্তি নিজের নাম ওমর ফারুক দাবি করেন।

তিনি বলেন, দোকানের মালিক আমি। মূলত আমার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে ৪-৫জন গ্রাহকের সঙ্গে সমস্যা তৈরি হয়েছে। আজ তা নিয়ে গ্রাহকরা অবস্থান নিলে আমি পুলিশের উপস্থিতিতে দু'দিনের মধ্যে সমাধান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। এছাড়াও আমার দোকানের কর্মচারী নিয়ে কিছু সমস্যা হয়েছিল সেটাও আমি থানাকে অবগত করেছি। আমি দু'দিনের মধ্যেই সমাধান করে দিবো।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, একজনের সঙ্গে ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সমস্যা হয়েছিল, যা নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে আমাদের পুলিশরা তাৎক্ষণিক উপস্থিত হওয়ায় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে ৪০-৫০ জন গ্রাহকের সমস্যা নয়,সমস্যা হয়েছে ৪-৫জনের মতোর। ওই দোকানি সমাধানের জন্য ২ দিনের সময় নিয়েছে