নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় খেয়াঘাট বন্দর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে ‘মিনি মুরগী পট্টি’ রূপ নিয়েছে। এর কারণে প্রতিনিয়ত মুরগী জবাইকৃত দুর্গন্ধে চলাচলকারী শহর-বন্দরের লক্ষ লক্ষ মানুষ দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।
এদিকে বিআইডবিøউটিএ ও উপজেলা প্রশাসনের উদাসীনতা কারণে অবৈধ দখলদাররা বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। দ্রæত সময়ে মিনি মুরগী পট্টি উচ্ছেদে স্থানীয় এমপি আবুল কালাম ও নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খানের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে খেয়াঘাটের পারাপার হওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ।
নারায়ণগঞ্জ বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় অবৈধ স্থাপনায় প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্ছেদ অভিযান এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা ও উচ্ছেদ অভিযান বন্দর খেয়াঘাট ও এর আশেপাশের এলাকায় নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। নদী বন্দরগুলোতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সেন্ট্রাল খেয়াঘাটের ইজারাদার দিদার খন্দকার জানান, নদীর বন্দর দিকে বাজার উচ্ছেদ করা হলেও মুরগী পট্টিটি হয়নি। যার কারণে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা অভিযোগ করে যাচ্ছে। এই অভিযোগটি সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হলেও মুরগী পট্টিটি উঠানো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মুরগী পট্টিটি উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন নেটিজনেরা। একই সাথে এমপি আবুল কালাম, নসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান ও বিআইডবিøউটিএ কর্তৃপক্ষের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন করেছে।
নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের আওতায় এই এলাকাটি পড়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় দখলমুক্ত রাখতে এবং লঞ্চ বা খেয়াঘাটের যাত্রী চলাচলের পথ সুগম করতে স্থাপনা উচ্ছেদ করে থাকে। খেয়াঘাট ও ফুটপাতের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলো থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের সাথে জড়িত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে স¤প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ সহজ করতে এবং পরিবেশ রক্ষায় বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় অবৈধ স্থাপনা ও মুরগী পট্টি উচ্ছেদ করার দাবি জানিয়েছেন বন্দরবাসী।




































আপনার মতামত লিখুন :