News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

বিএনপিতে আছেন তৈমূর


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম বিএনপিতে আছেন তৈমূর

‘বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে গিয়ে বলেছিলাম তাঁকে ভোট দিবো। সেই ওয়াদা রেখে ভোট দিয়েছি। এবারের নির্বাচনেও বিভিন্ন দল থেকে এমপি মনোনয়ন দেয়ার প্রস্তাব এসেছিল না করে দিয়েছি। রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের গাজীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছিলাম তাকে বিতাড়িত করতে। তখনকার নাটকীয় নির্বাচনে আমাকে পরাজিত করা হয়েছিলো। কোন দলে যোগ দেইনি বিএনপিতে আছি বিএনপিতে থাকবো এটা আমার শেষ কথা। বলেছেন ডক্টর অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

এক সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থেকে আহবায়ক, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি যোগ দেন তৃণমূল বিএনপিতে। ২০২৪ এর নির্বাচনে তিনি রূপগঞ্জে তৃণমূল বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে ঘোষণা দেন তিনি আর তৃণমূল বিএনপিতে নাই।

১২ মে সময়ের নারায়ণগঞ্জের সাথে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ২০২২ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে কার নির্দেশে প্রার্থী হয়েছিলাম এটা দল জানে না। আমাকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে পরে বহিস্কার করা হলো কেনো? প্রতিনিয়ত কারা আমার সাথে ফোনালাপ চালিয়ে গিয়েছে তৎকালীন এটিএম কামাল স্বাক্ষী ছিলো এমনকি কামালও ফোন ধরেছিল। আমাকে কেন বহিস্কার করা হয়েছে সেই উত্তর পাইনি। এখনো অনেকে বলেছেন বিএনপিতে দরখাস্ত দেন বহিস্কারাদেশ ফেরত পাবেন। আমি কেনো দরখাস্ত দিবো- তারাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বলেছিলেন আবার তারাই বহিস্কার করেছেন। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে বিএনপিতে ছিলাম, বিএনপিতে থাকবো। কোন দলে যায়নি যেতেও চাই না।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করায় বিএনপি থেকে বহিস্কৃত হয়েছিলেন তৈমূর আলম খন্দকার। স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের ফিরিয়ে আনা হলেও তৈমূর আলম খন্দকারকে এখনও দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি বা তার বহিষ্কারাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি। ২০২৩ সালে তৃণমূল বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হন এবং ২০২৪ সালে সেই দল থেকে নির্বাচনও করে হেরেছিলেন তিনি।