নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আটককৃত ৫ অপরাধীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার ২ এসআই ও ৪ কনসটেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশে বৃহস্পতিবার ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ওই ৬ জনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
প্রত্যাহার করে নেওয়া ২ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এ,এস,আই) আশিক। কনসটেবলরা হলেন আরিফ, দিদার,অপু ও মজিবর।
জানা যায়,গত বুধবার দুপুরে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকার হাশেমবাগে সাবেক পুলিশ কনসটেবল মোঃ সোলায়মানের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা লুটপাট করার সময় খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে প্রত্যাহারকৃত ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪ কনসটেবল ছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লুটপাটরত অবস্থায় ৫ সন্ত্রাসীকে আটক করে হাতকড়া পড়ায় এবং লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় বেশ কিছু আসবাবপত্র উদ্ধার করে।
সংবাদ পেয়ে আটককৃতদের সহোযোগিরা অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের উপর হামলা করে হাতকড়াসহ আটককৃত ৫ জনকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়।
পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ ৫ অপরাধীকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ পশ্চিম মাসদাইর হাশেমবাগ এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার ভোরে পরিচালিত ঐ অভিযানে পশ্চিম দেওভোগের হাশেমবাগ তসলিমপট্টি এলাকার জনৈক গিয়াস উদ্দিন উকিলের বাড়ি সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি টিনশেড ঘর থেকে রনি নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। ঐ ঘর থেকে ১৫টি স্টীলের তৈরী তলোয়ার, ৪টি কাঠেরবাট যুক্ত তলোয়ার, একটি চাকু, একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রনি ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার কালু মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে জানিয়েছে ফতুল্লা থানার ওসি মাহাবুব আলম।







































আপনার মতামত লিখুন :