সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সীমানা পরিবর্তনের প্রস্তাবের আপত্তি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কলাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমেদ এবং দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ মাখন।
৬ আগস্ট ঢাকা শেরে বাংলা নগরের নির্বাচন কমিশনের সচিবালয় গিয়ে তারা তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেই সাথে তারা তাদের বক্তব্যের পক্ষে যোক্তিকতা তুলে ধরেন।
বক্তব্য উপস্থাপন করতে গিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম পূর্বের মত নারায়ণগঞ্জ শহরের সাথে মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন চেয়েছেন। তিনি শহর ও বন্দরকে আলাদা করার পক্ষে নেই। কোনো রকমের পরিবর্তন না করে আগের মতোই রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।
মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমেদ ও অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ মাখন বন্দর থানাকে আলাদা সতন্ত্র আসন হিসেবে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রয়োজনে কাঁচপুর ইউনিয়নকে সংযুক্ত করে সতন্ত্র আসন হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
তাদের এই বক্তব্য শুনে নির্বাচন কমিশন নারায়ণগঞ্জ বাসির জন্য একটি গণশুনানির আয়োজন করবেন বলে জানিয়েছেন। সেই সাথে এই গণশুনানীর তারিখ জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। ওই তারিখে গণশুনানীতে নারায়ণঞ্জবাসীকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনের সীমানা পুনরায় নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ৩০ জুলাই বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক প্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দেশের কয়েকটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনরায় নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান।
এ সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ তিন, চার ও পাঁচ আসনে। সুপারিশে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ড থাকবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদীয় এলাকা হিসেবে। সেই সাথে সদর উপজেলার গোগনগর ও আলীরটেক ইউনিয়ন, যে দুইটি আগে ছিল নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে, তা বিবেচিত হবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এলাকা হিসেবে। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :