নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলায় নিজের নাম দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি। তিনি জানিয়েছেন, যখন ঘটনা তখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক ফোন করেন পুলিশের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তাদের। তাদেরকে এ ব্যাপারে কঠোর হতে বলেন। কিন্তু মামলায় তাকে আসামী করা হয়েছে যা উদ্দেশপ্রণেদিত।
এনায়েত নগর ইউনিয়ন ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকা বাদী হয়ে রবিবার ১২ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় তার ছেলে রাকিব গুলিবিদ্ধ হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন সারজিল আহম্মেদ অভি (৩০), আব্দুল হামিদ প্রধান (৫২), আব্দুস সালাম (৪০), আকাশ (২৮), সুমন মোল্লা রকেট (৪৩), খায়রুল কবির জসিম (৫৫), ইয়াসিন (২৮), মশিউর রহমান রনি (৩৫), আলী রতন (৩৮), মুরাদ হাসান (৩৮), আদনান আজিজ প্রাপ্ত (৩২) ও পল্লব (৪৫)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫।
রনি বলেন, ‘আমি ঘুমে, তখন ঘটনা। ঘুমন্ত অবস্থায় আসামী হয়ে গেলাম। এর পেছনে নানা উদ্দেশ্য রয়েছে। বিশেষ করে গত নির্বাচনে আমি প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল এখানে জোটকে প্রার্থী দিয়েছে। তখন থেকেই আমি বিভিন্ন সভা সমাবেশে বলে আসছিলাম বিতর্কিত লোকজনদের যেন নির্বাচনের প্রচারণায় না রাখা হয়। কিন্তু রাখার কারণে কিন্তু আমাদের বদনাম হয়েছে। হয়তো তাদের কেউ কেউ এর পেছনে মদদ দিয়েছেন। খারাপ লোকজন তাদের পথ পরিস্কার করতে আমাকে কোনঠাসা রাখার জন্য মামলা দিয়েছে।
‘শামীম ওসমান থাকতে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য গুম করা হয়েছিল। অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে অমানবিক টর্চার করা হয়েছে। তখনই আমি দমে যাইনি। এখনো যাবো না। এত সহজে হারার মানুষ না। ছাত্রদলের ওয়ার্ড থেকে জেলা ও বর্তমানে যুবদলের দুইবার সদস্য সচিব। নিজের কর্মদক্ষতায় এখানে এসেছি। আমি কোন সন্ত্রাস লালন করি না বরং সব সময়ে এর বিরুদ্ধে। কেউ কেউ অনৈতিক সুবিধা নিতে না পেরে হয়তো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সেটা দল কিংবা দলের বাইরেও হতে পারে।’ বক্তব্যে যোগ করেন রনি।


































আপনার মতামত লিখুন :