মে মাসের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আংশিক কমিটি আসছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলের আগেই এমন কমিটি হওয়ার গুঞ্জন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মহানগর বিএনপি কমিটি গঠনে কেন্দ্রীয় বিএনপির এক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের তৎপরতা শোনা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাঙ্খিত ভোট দলীয় প্রার্থীকে দিতে ব্যর্থতায় নতুন কমিটিতে আসছে পুরাতন নেতারাই জানা গেছে।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে নির্যাতিত, কারাবন্দি হওয়ার মূল্যায়ন নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে লম্বা তালিকা রয়েছে। যার ফলে আগামীতে ক্লিন ইমেজে শক্ত অবস্থানকারী নেতাদের মহানগরের দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্তে রয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন তারপর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ঘিরে মহানগর বিএনপিতে নজর রয়েছে শীর্ষ নেতাদের।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তিনি দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হবেন এমন নিশ্চিত পাওয়া গেছে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুখে। এর ফলে তাকে মহানগর বিএনপির প্রথম সদস্য করা হবে এবং আহবায়ক পদ ছাড়তে হচ্ছেন। এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে বিএনপি দুই মাসের ক্ষমতা মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন খান পুরো সিটি কর্পোরেশনকে চকচকে করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মহানগর বিএনপি সুপার ফাইভ কমিটি গঠনে কেন্দ্রে তালিকা গেছে সভাপতি পদে আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজল, সহ-সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, ফতেহ মুহাম্মদ রেজা রিপন ও ১ম সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কাউসার আশা।
এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এমপি ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব দায়িত্বে রয়েছেন আবুল কাউসার আশা। মহানগর যুবদলের আহবায়ক পদে রয়েছেন মনিরুল ইসলাম সজল, পদবিহীন নেতা মাকছুদুল আলম খন্দকারকে মহানগর বিএনপিতে দেখা যাবে অন্যদিকে বর্তমান যুগ্ম আহবায়ক ফতেহ মুহাম্মদ রেজা রিপনও থাকছেন সুপার ফাইভ কমিটিতে।
এছাড়া কমিটিতে থাকতে পারেন, প্রবীন নেতা জাকির হোসেন, সরকার হুমায়ূণ কবির, আতাউর রহমান মুকুল, হাজী নুরুউদ্দিন আহম্মেদ, আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল ও এটিএম কামালের মত মাঠ পর্যায়ে নেতারা।
মহানগর বিএনপির একাধিক নেতারা জানিয়েছেন, সাখাওয়াত হোসেন খান যদি প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়া কারণে মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে না পারে সেখানে এটিএম কামাল, আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের মত নেতাদের দায়িত্ব পেতে পারেন। সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল কাউসার আশা ও মনিরুল ইসলাম সজল দায়িত্ব দিয়ে তরুণদের এগিয়ে নেয়া হোক। অন্যদিকে প্রবীন-নবীনদের নিয়ে মহানগর বিএনপি কমিটি চান তৃনমূল। দীর্ঘ দিন ধরে একই নেতারা পদে আসীন থাকায় বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে। যার প্রতিফলন দেখা মিলেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।



































আপনার মতামত লিখুন :