News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিএনপি নেতাদের মারধর করলেও বিচার হয় না


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | শাহরিয়ার অর্ক প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম বিএনপি নেতাদের মারধর করলেও বিচার হয় না

অকিলউদ্দিন ভূইয়া নারায়ণগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতে অপরিচিত না। সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাতে তাঁর যথেষ্ট নাম রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও মামলার শিকার হয়েছেন। বয়সও বাড়ছে। এ বয়সে তিনি বিএনপির জাগরণ দেখতে পারলেন সেটার কারণে নিজেকে তিনি ভাগ্যবান ভেবেছিলেন। কিন্তু এক ঘটনায় তিনি হতবিহবল। সন্তানতুল্য যুবদল নামধারী সন্ত্রাসীদের কাছে তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন। চোর পেটানোর মত একের পর এক কিল ঘুষি পড়ে শরীরে। সেটাও প্রকাশ্য। নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে। এ পরিষদের প্রশাসক মামুন মাহমুদ। তিনি জেলা বিএনপির আহবায়ক। একই কমিটির সদস্য অকিল। রাজনীতিতে মামুন মাহমুদের অনুগামী অনুসারী হিসেবেই পরিচিত তিনি।

প্রকাশ্য মার খেলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে তোলপাড়। বিএনপির নেতারা ধিক্কার জানাচ্ছেন। কেউ কেউ কটু কথা লিখছেন। কিন্তু ফলাফল শূন্য। ফেসবুকে সকলেই জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ধিক্কার দিচ্ছেন।

শুধু কি বিএনপি? না সাধারণ মানুষেরও মধ্যে বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। ফেসবুকের কল্যাণে ভেসে আসছে কয়েকটি ভিডিও। একটিতে দেখা গেছে জেলা পরিষদের ভেতরে একটি অনুষ্ঠানে সামনে দাঁড়ানো নিয়ে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির সঙ্গে অকিল ভূইয়ার তর্ক ঘটে। সেখানে মামুন মাহমুদ ছাড়াও মহানগর বিএনপির সদস্য আবু আল ইউসুফ খান টিপু, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর মত নেতারা ছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকেই মানা হয়নি। বলা হয় চিৎকার করেই, ‘শালাকে ধর’। ঠিকই ধরেছে। নিচে নেমেই যুবদলের উচ্ছৃঙ্খল ক্যাডার বাহিনী অকিল ভূইয়াকে কিল ঘুষি মেরে চেহারা লাল করে দিয়েছেন। ছিঁড়ে ফেলেছেন শরীরের জামা।

বিএনপির ভেতরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের ভেতরে আসলে হচ্ছে টা। বিএনপির সিনিয়র সামনে তর্কেই বা জড়ানোর সাহস কোথা থেকে আসে। আর কার নির্দেশে একজন সিনিয়র নেতাকে এভাবে প্রকাশ্য লাঞ্ছনা করা হলো। কয়েকদিন আগে আলীরটেকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের গাল ফাটিয়ে দেওয়া হয়। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেন আনোয়ার। এ ব্যাপারে তিনি কড়া বক্তব্য দেন।

মার খায় নেতারা কিন্তু বিচার হয় না। বিচার করবে কে ? প্রশ্ন বিএনপির ভেতরেই। তাহলে কি বিএনপি নেতারা অর্থব নাকি বিএনপির ভেতরেই আরেক বিএনপির জন্ম হচ্ছে। যারা যা মন চায় তাই করবে। যা খুশী তাই করবে। কোন জবাবদিহিতা নাই।