নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে বরাদ্দকৃত চাল ও গম বিগত সময়ে সিন্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে সে অর্থ ব্যয় হলেও মধ্যস্বত্তভোগীরা লুফে নিত মোটা অংকের মুনাফা। সরকার নির্ধারিত চালের দাম ৪৯ টাকা ও গমের দাম ৩৬ টাকা হলেও ওই সিন্ডিকেট এগুলো নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করতো। তবে এবার সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে গিয়ে এ বিশাল মুনাফার গোমর বের করেছেন এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু। রূপগঞ্জবাসী এবার এ সিন্ডিকেটের মুখোশ উন্মোচন করে বিচারের আওতায় আনার দাবী তুলেছেন।
২৮ জুন রূপগঞ্জে উপকারভোগী ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সরকারি বরাদ্দের চেক, অর্থ ও চাল তুলে দেন এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।
এদিন রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ৮ টি প্রকল্পের বিপরীতে ৫৬ মেট্রিক টন চাল ও ৭টি প্রকল্পের বিপরীতে ৫৬ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ করা হয়।
এছাড়া কাঞ্চনে সড়কের মাটি ভরাটের বিপরীতে ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কেজিতে হিসেব করলে মোট ৬৬ মেট্রিক টন তথা ৬৬ হাজার কেজি চাল ও ১০ হাজার কেজি গম বরাদ্দ হয়।
স্থানীয়রা জানান, ৪৯ টাকা চাল ও ৩৬ টাকা গমের মূল্য হলেও সিন্ডিকেট নামমাত্র মূল্যে চাল ও গম কিনতে চায়।
বরাদ্দের পরেই একটি সিন্ডিকেট এসব চাল ও গম ক্রয় করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। তারা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের ম্যানেজের চেষ্টা করতে থাকে।
যেসব উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে এসব খাদ্যশষ্য বরাদ্দ হয়েছে তাদেরকে ওই সিন্ডিকেট চাপ দিচ্ছে। তারা এলাকায় এলাকায় গিয়ে চাল বিক্রি করতে হুমকি চাপ দেয়। আর এটা তারা কিনতে পারলে কোটি টাকার মুনাফা করতে পারবে।
দিপু ভূইয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে যে চাল গম বরাদ্দ হয়েছে সেটার সুষম বন্টন হলে প্রকল্পগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে। ফলে এলাকাবাসী সুবিধাভোগ করবে।
রূপগঞ্জের মানুষও এসব সিন্ডিকেটের বিচার চেয়েছেন। তারা বলছেন, সিন্ডিকের থাবায় চাল ও গম নামমাত্র মূল্যে বিক্রি হওয়ার কারণে টেকসই উন্নয়ন হয় না। ফলে জনভোগান্তির জন্য এ সিন্ডিকেট দায়ী। এ কারণে তাদের বিচার দাবী করছেন এলাকার লোকজন।


































আপনার মতামত লিখুন :