News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে কালেমার পতাকা নিয়ে যা বললেন জামায়াতের আমীর


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম নারায়ণগঞ্জে কালেমার পতাকা নিয়ে যা বললেন জামায়াতের আমীর

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু মাদ্রাসার ছাত্র ও যুবকদের ক্বালিমার পতাকা উত্তোলন করতে দেখা গেছে। এই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে যে, এটি জামায়াতে ইসলামীর কোনো কর্মসূচি কি না। এ বিষয়ে এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "ক্বালিমার পতাকা শুধু জামায়াতে ইসলামীর সম্পদ নয়, বরং এটি পৃথিবীর সকল মুসলমানের সম্পদ।"

মাওলানা আবদুল জব্বার তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে এক ধরনের উন্মাদনা চলছে এবং অনেকেই এসব দেশের পতাকা উড়াচ্ছেন। অনলাইন মিডিয়ায় মাদ্রাসা ছাত্র ও যুবকদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, এই ধরণের ভিনদেশী পতাকার উন্মাদনার বিপরীতে তারা আল্লাহর ক্বালিমার পতাকা উত্তোলন করছেন।

তিনি বলেন, "কেউ যদি ক্বালিমাকে ভালোবেসে এই পতাকা উত্তোলন করে, তবে আমরা অবশ্যই সেটিকে সাধুবাদ জানাই।" প্রশাসন বা অন্য কোনো মহল থেকে এটিকে নেতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি প্রশাসনের বিষয়। তবে এটি জামায়াতে ইসলামীর কোনো কর্মসূচি নয় এবং দলের কোনো নেতাকর্মী এতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সম্পৃক্ত নন।

দেশ ও ধর্মের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি, আমরা ইসলামকে ভালোবাসি। মানুষ ইসলামকে ভালোবেসে ক্বালিমার পতাকা উত্তোলন করতেই পারে।"

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মহানগর জামায়াতের আমীর বলেন, "বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।" তিনি সমাজে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য বা বিদ্বেষ চান না উল্লেখ করে বলেন, যার যার ধর্ম সে স্বাধীনভাবে পালন করবে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশ হিসেবে ইসলামের কোনো অবমাননা এখানে কেউ সহ্য করবে না।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং ইসলামের আদর্শের প্রতি কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, সমাজে ইসলামের সুমহান আদর্শ পুরোপুরি চালু হলে সর্বস্তরের অনাচার ও অবিচার দূর হবে এবং একটি শান্তিময়, সুখী 'সোনার বাংলাদেশ' ও সোনার পৃথিবী গড়ে উঠবে।