গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কলকাতায় এসেছেন সাবেক এমপি শামীম ওসমান। তিনি কয়েকদিন দিল্লীতে ছিলেন। এখন তিনি অবস্থান করছেন কলকাতায়।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু বর্তমানে আমেরিকাতে রয়েছেন। তিনিও যে কোন সময়ে কলকাতায় চলে আসবেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত ভারতেই অবস্থান করছেন জানা গেছে।
চব্বিশের ৫ আগস্ট দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তাকে একটি হেলিকপ্টারে করে ভারতে নেওয়া হয়। এর পর থেকেই নেতাকর্মীরা ক্রমশ দেশ ছাড়তে শুরু করেন। শামীম ওসমান প্রথমে ভারত হয়ে দুবাই ও পরে আমেরিকা যান। দুবাই ও আমেরিকা কয়েকবার তিনি যাতায়াত করেছেন।
শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমান শুরু হতেই কলকাতায় অবস্থান করছেন। সেখান হতে তিনি নিয়মিত ভিডিও কলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। নারায়ণগঞ্জের অনেক নেতাকর্মী আর আশ্রয়ে রয়েছে জানা গেছে।
মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম দুবাইতে ছিলেন। তিনিও কলকাতায় আসার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছেন।
ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী চলে যান আমেরিকাতে। সেখান হতে কলকাতায় আসতে পারেন তিনি।
এছাড়া আরও অনেক নেতাকর্মী হাসিনার ফেরার দিন বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নভেম্বরের মাঝামাঝি অথবা মাসের শেষ দিকে পশ্চিমা গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন শেখ হাসিনা। লন্ডনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি যুক্ত হবেন। সেখান থেকেই দেশে ফেরার তারিখ ও পরিকল্পনার রূপরেখা ঘোষণা করতে পারেন তিনি। এ ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
ইত্তেফাকের সংবাদে শামীমও সমানের বক্তব্য পাওয়া গেছে। শামীম ওসমান বলেন, দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে চায় এবং তার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে তিনি দেশে ফিরবেন। সবাই এক জায়গায় আসছেন এবং এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাদেরও কলকাতায় অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে। বৈঠকগুলোতে যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল অংশ নিচ্ছেন। ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও রয়েছেন তাদের সঙ্গে।
দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়ে এসব নেতার মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও কলকাতায় অবস্থান করছেন।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সদস্যরা অনলাইনে সক্রিয় রয়েছেন। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।













(12)-20261108104635.jpg)

(1)-20261105094442.jpg)
(5)-20261106124722.jpg)








(6)-20261106125255.jpg)

-20261104095621.jpg)






আপনার মতামত লিখুন :