এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি বা সরবরাহের কারণে মানুষ পুরনো চুলা মেরামত বেড়েছে ভুক্তভোগীদের ভিড়। বাসা-বাড়িতে তিতাস গ্যাস না থাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগান্তি রয়েছে হাজার হাজার পরিবার। এর মধ্যে সিলিন্ডার চাহিদা মত না থাকা পরিবার পরিচালনা বিপাকে নারী-পুরুষরা। যার কারণে বাড়িতে থাকা তেলের পাম্প চুলা মেরামত করে জীবিকা নির্বাহে চেষ্টা করে যাচ্ছে ভুক্তভোগীরা।
ভাড়া বাড়িতে বিদ্যুতের চুলা ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকায় সিলিন্ডার গ্যাসে চাহিদা রয়েছে শ্রমজীবী মানুষদের পরিবারে। যার কারণে তিতাস গ্যাস সরবরাহ না থাকায় এলপিজি গ্যাসে উপর নির্ভর বেড়ে যায় সাধারণ মানুষদের। যার কারণে চলতি মাসে কয়েক দফা বৃদ্ধি বিপাকে পড়ে যায় জনজীবন। অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস না পাওয়ায় এখন বাড়িতে থাকা তেলের পাম্প চুলা চালুতে ছুটতে মানুষ।
এদিকে শহরের কালীরবাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ায় বা সরবরাহে সমস্যা হওয়ায় অনেকে নতুন তেলের পাম্প চুলা কেনা থেকে বিরত থেকে পুরনোটি মেরামত করাকে বেছে নিচ্ছেন। মেরামত দোকানে তেলে পাম্প চুলা দীর্ঘ লাইন বাড়ছে। এতে মিস্ত্রিরা দ্রুত চুলা মেরামত করে ক্রেতাদের খুশি করে দিচ্ছেন।
দোকানি হারুনুর রশিদ জানান, হঠাৎ এক সপ্তাহ যাবৎ পাম্প চুলা মেরামতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। এতে করে আমাদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেসব চুলা গুলো অচল হয়ে যাচ্ছে আমরা নতুন চুলা বিক্রি করছি। অন্যদিকে বাসা বাড়িতে পুরাতন চুলাগুলো নষ্ট জিনিসপত্র পরিবর্তন করে সচল করে দিচ্ছি।
চাকরিজীবী আহমেদ সানু জানান, বাসা বাড়িতে এমনই তিতাস গ্যাসের সরবরাহ নেই। তার মধ্যে এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসে অভ্যাস শুরু হয়েছে। তার মধ্যে কয়েক দফা অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি পেলেও সরবরাহে নেই। যার কারণে পরিবার নিয়ে তিন বেলা খাবারের ভোগান্তিতে রয়েছি। যার কারণে এখানে তেলের পাম্পের চুলা মেরামত করে বাড়িতে ফিরছি।
সরকারের পক্ষ থেকে ‘সংকট নেই’ বলে আশ্বস্ত করা হলেও বাস্তবে চরম হাহাকার চলছে এলপিজি গ্যাসের বাজারে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসের ঠিক উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে রাজধানীসহ সারা দেশে। গুটিকয়েক কোম্পানি ছাড়া অধিকাংশের সরবরাহ বন্ধ থাকায় ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার এখন বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার থেকে ২২০০ টাকায়। নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ গুনেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে।





































আপনার মতামত লিখুন :