নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ শেষে গণমাধ্যমকে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, পুরো জেলায় পরিষদের কার্যক্রম বৈষম্যহীনভাবে চলবে। বিগত সরকারের আমলে উন্নয়ন কাজে বৈষম্য ছিল। আমরা সেটি দূর করতে চাই। জেলা পরিষদের কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। বিগত সময়ে মানুষ জেলা পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতো না। আমরা সেটিও মানুষদের জানানোর ব্যবস্থা করব।
সোমবার বেলা ৩টার দিকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ ভবনে আসেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময় তার সাথে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি অতীতে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি জেলা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময় তিনি নাশকতা, হেফাজত ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া প্রায় তিন ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামি হন এবং দীর্ঘ সময় কারাবরণ করেন। তবে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বড় কোনো বিতর্ক তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অনেকেই তাকে ‘ক্লিনম্যান’ হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় দায়ের করা একটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে কোমরে রশি বেঁধে আদালতে হাজির করা হয়। সেই ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন

































আপনার মতামত লিখুন :