এবারের পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা এবং জীবিকার টানে রাজধানীতে ফেরার যাত্রাটি ছিল খুবই দুর্ঘটনা প্রবল। যাওয়া আসার এই যাত্রায় মহাসড়ক এবং নদী পথ যেন মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়েছিলো। সারাদেশের মত নারায়ণগঞ্জের ঈদের এই ছুটিতে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে ঈদ উল ফিতরের ছুটি শুরু হয়। ঈদের এই ছুটির মধ্যে নারায়ণগঞ্জের সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জে একটি খাল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার, সোনারগাঁয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, নগরীতে নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে।
এছাড়াও একজন বিকাশ ব্যবসায়ী নিখোঁজ সহ একজন শিশুকে অপহরণ সহ, ফতুল্লা এলাকায় চুরি এবং ডাকাতির মত ঘটনাও ঘটেছে।
তথ্যমতে, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ৬টাং লাঙ্গলবন্দ স্নানে যাওয়ার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় ফতুল্লার রামারবাগে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় লতা রানী মন্ডল (৫০) নামে নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত লতা রানী মন্ডল ফতুল্লার পিলকুনি এলাকার সুখ রঞ্জন মন্ডলের স্ত্রী।
নিহত লতা রানীর ভাতিজা শিপলু জানান, লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসবে যাওয়ার জন্য ভোর ছয়টার দিকে কাকা সুখ রঞ্জন মন্ডল এবং কাকী লতা রানী মন্ডল বাসা থেকে বের হয়। পরে ভোর সকাল সাতটার দিকে তার জানতে পারেন যে তার কাকা এবং কাকী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে বাসা থেকে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন তার কাকী মারা গেছেন এবং কাকা আহতবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাসায় রয়েছেন।
একই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দরে অটোরিক্সার ধাক্কায় ফেরদোসি বেগম (৫৮) নামে নারী পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। বন্দর থানার ২৩নং ওয়ার্ডের কবিলেরমোড়স্থ পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত ফেরদোসি বেগম নবীগঞ্জ খাদেমপাড়া এলাকার মৃত নুরুজ্জামান মিয়ার মেয়ে ও মৃত জমসের মিয়ার স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ফেরদোসি বেগম সকালে তার নিজ বাসা থেকে নবীগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে নবীগঞ্জ কবিলেরমোড় পূর্বপাড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি অটোরিক্সা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
২৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় ফতুল্লার বক্তাবলী চর প্রসন্ননগর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় চলন্ত পিকআপ ভ্যান মোটরসাইকেলে বসে থাকা দুই বন্ধুকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই জুম্মন (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়। আরমান (২১) নামের অপর একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আখিল উদ্দিন নামে এক চালকের কাছ থেকে ইজিবাইক চালক জয়নাল আবেদীন পিকআপ চেয়ে নিয়ে চর প্রসন্ননগর ব্রীজ রোড দিয়ে চালাচ্ছিলেন। এসময় ব্রীজ পাড় হয়ে গুচ্ছনগর গ্রামের বাজারে এসে মোটরসাইকেলে বসে থাকা দুই বন্ধুর উপর পিকআপ উঠিয়ে দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালক আরমান ও তার বন্ধু জুম্মন মারাত্নক আহত হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জুম্মনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আরমান ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করেন চিকিৎসক।
২৬ মার্চ সকালে নাসিক ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় জাহাঙ্গীর (৫৮) নামের ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি কুমিল্লা জেলার আব্দুল লতিফের ছেলে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, অন্তত ৬-৭ দিন আগে ভিকটিম মারা গেছে বলে ধারণা করছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
এদিকে সোনারগাঁয়ে যৌতুকের টাকা না পেয়ে ফারহানা নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। রবিবার উপজেলার সাতভাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফারহানা কুমিল্লার মেঘনা থানার নলছটি গ্রামের কালাচাঁন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফারহানার স্বামী সাগরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাকি অভিযুক্তরা হলেন, সাগরের ছোট ভাই সাব্বির ও মা পারভীন।
নিহতের ছোট বোন তাঞ্জিনা জানান, আমার দুলাভাই সাগর প্রায়ই যৌতুকের জন্য আমার বোনকে মারধর করতেন। কয়েক মাস আগে বিদেশে যাওয়ার জন্য দুলাভাইকে চার লক্ষ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়েছিল। ওই টাকায় বিদেশ গিয়ে তিনি কয়েকমাস পর পুনরায় দেশে ফিরে আসে এবং আবারো যৌতুক দাবি করেন। এ নিয়ে গতকাল রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। এরপর আজ সকালে ফারহানাকে ঘরের মেঝেতে মৃত অবস্থায় নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
শুক্রবার ২৭ মার্চ শহরের পাইকারী ব্যবসা কেন্দ্র নিতাইগঞ্জে একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে মাসুম (৩৮) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নগরীর ডালপট্টি পুরাতন বি.কে. রোডের ওই ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্ত্রীর দাবি আরিফুল মাদকাসক্ত ছিল। এর আগেও সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। অপরদিকে নিহতের মায়ের দাবি তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার সজিব খান (২৭) নামে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ২৩ মার্চ বাসা থেকে রওয়ানা হয় সজিব। এ ঘটনায় নিখোঁজের স্ত্রী মোসাম্মৎ নুরজাহান সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ সজীবের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় রয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
নিখোঁজ সজিব খান পটুয়াখালি জেলার দুমকি থানার চরগরবদি গ্রামের মো. শহিদ খানের ছেলে। তার বাবা নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেল গেট এলাকায় ফল ব্যবসা করেন। ব্যবসার সুবাদে তিনি শহরের ২ নম্বর বাবুরাইল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তবে সজিবের মা ও ছোট এক ভাই থাকেন গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালিতে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজিব ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন ব্যবসায়ী সোহেল রানার মেয়েকে বিয়ে করেন। এর পর থেকে সজিব তার শ্বশুর বাড়ির কাছাকাছি নিতাইগঞ্জের কাচারি গলি এলাকায় স্ত্রীকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। শহরের ২ নম্বর বাবুরাইল এলাকায় লেকের পাড়ে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের দোকানের ব্যবসা রয়েছে সজিবের।
গত ২০ মার্চ বন্দর থেকে ঈদের পোশাক কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোহাম্মদ হোসেন নামে ৯ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। মুক্তিপনের ১৫ হাজার টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারী আলী হোসেন রাজধানীর শ্যামপুরের একটি বাড়িতে ওই শিশুকে তালাবদ্ধ রেখে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালি চলে যায়।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকা থেকে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা করে। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও বিকাশে নেওয়া টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যে শিশুটিকে ঢাকার শ্যামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
২৩ মার্চ ফতুল্লায় দিনে দুপুরে এক সাংবাদিকের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরের দল ঘরের আলমারি এবং ওয়্যারড্রোপ ভেঙ্গে প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।
ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা নয়ামাটি এলাকায় নিজ বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এ এস এম তৌফিকুন্নবী (৪৪) বাদী হয়ে সন্ধ্যায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তৌফিকুন্নবী জানান, তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের জনপ্রিয় গণমাধ্যম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভির প্রধান কার্যালয়ে সিনিয়র ভিডিও এডিটর পদে কর্মরত আছেন। তার স্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে সরকারি প্রাথমিক একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এবার ঈদের ছুটি পেয়ে তার স্ত্রী তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। তবে নিজের কর্মস্থলে ডিউটি থাকায় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে বেড়াতে যেতে পারেন নি।
তৌফিকুন্নবী এজাহারে অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা চোরেরা তার ঘরের কাঠের ওয়্যারড্রোপের লক ভেঙ্গে সেখান থেকে ১০ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং তার মায়ের ঘরের স্টিলের আলমারি ভেঙ্গে ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।
ভুক্তভোগি তৌফিকুন্নবীর দাবি, চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা। তিনি অনতিবলম্বে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার সহ এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
অপর দিকে ২০ মার্চ সদর উপজেলার ফতুল্লায় দুই বাড়িতে পরিবারের লোকজনদের হাত পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ফতুল্লার ভূইগড় পূর্বপাড়া আল আকসা মসজিদ রোডে ব্যবসায়ী আমজাদ ও কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে এঘটনা ঘটে। ডাকাত দল দুটি বাড়ি থেকেই নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে।
ব্যবসায়ী আমজাদ মিয়া জানান, তিনি ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা করেন। ঈদের বন্ধে শ্যালক হাফেজ সাইফুল্লাহকে বাসায় রেখে স্ত্রী সন্তান নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বাসা এসে দেখেন সাইফুল্লার হাত পা ও মুখ বাঁধা ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে। এরপর তার বাধন খুলে শুনতে পান ভোর রাতে ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সের ১৫ থেকে ২০ জনের একদল ডাকাত রাম দা হাতে বাড়ির গেইটের তালা কেটে ঘরে প্রবেশ করেছে। এরপর তারা সাইফুল্লাকে বেঁধে ঘরের আলমারী ভেঙ্গে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও এক লাখ ১৫ হাজার টাকা রুটে নিয়ে যায়। আমার বাসা থেকে ডাকাত দল পাশের বাড়ি কুদ্দস মিয়ার বাড়িতে হানা দেয়।
কুদ্দুস মিয়ার ছেলে জোবায়ের হোসেন জানান, দেশীয় অস্ত্র হাতে ডাকাতরা আমাদের দেয়ালের উপর দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর গেইটের তালা ভেঙ্গে ঘরে এসে প্রথমে আমার হাত পা মুখ বেঁধে ফেলে। তারপর আমার বাবা মাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে বলেন তোমার ছেলেকে আমরা জিম্মি করেছি। কোন রকম ডাক চিৎকার করলে তোমার ছেলেকে হত্যা করা হবে। তখন আমার বাবা মা চুপ করে থাকেন। এরপর ডাকাতরা ঘরের আলমারী ভেঙ্গে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল লুটে নিয়ে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে দুই বাড়িতে গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জেনে আসছি। তারা লিখিত অভিযোগ করলে মামলা গ্রহন করা হবে। এছাড়া ডাকাতদের শনাক্তে পুলিশের অভিযান চলছে।































আপনার মতামত লিখুন :