নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে পালিত গরু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন ব্যাপারীরা। ইতোমধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গরু ভর্তি ট্রলার শীতলক্ষ্যা নদী যোগে হাটগুলো উদ্দেশ্যে ছুটছে। শুক্রবার ছুটি দিনে দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত শহরের কয়েকটি হাটে গরু ট্রলার থামতে দেখা গেছে।
এর আগে শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে বিভিন্ন হাটের উদ্দেশ্যে অর্ধশতাকি গরু বোঝাই ট্রলার শীতলক্ষ্যা নদীর উপর দিয়ে চলাচল করেছেন। এতে নদী পথে থাকা সাধারণ মানুষদের মধ্যে ঈদে আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশন সহ উপজেলা প্রশাসন এখনো হাটের ইজারা নিয়ম পালন করলেও বিতরণে প্রস্তুতিতে রয়েছেন।
বিএনপির সরকারের প্রথম কোরবানী ঈদ পালনে ইতোমধ্যে প্রশাসন কঠোরতা দেখিয়েছেন। বিগত সময়ের চেয়ে বেশি পশুর হাট টেন্ডার দেয়া হলেও এখনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া নিয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হলেও দ্রুত সমাধানে ঠিক ছুটতে প্রশাসন। এদিকে নদী পথে ট্রলার বা নৌকায় গরু পরিবহন সময় চাঁদাবাজি বা জোরপূর্বক অন্য হাটে গরু নামানোর প্রবণারোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছেন। বিশেষ করে শীতলক্ষ্যা নদীর গোগনগরের কয়লা ঘাট এলাকায় পশু বোঝাই ট্রলার থামানো নিয়ে উত্তেজনা থাকে।
কয়লাঘাট হাটে আসা সিরাজগঞ্জ থেকে আগত গরু বেপারী আকবর হোসেন জানান, দেশি বিদেশ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২১টি গরু নিয়ে আসছি সিরাজগঞ্জ থেকে। বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জে আনা পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি। তার এলাকার আরেকজন গরু বেপারী মকবুল হোসেন জানান, গরু আনছি ১১টি পথে কোন সময় হয়নি। গত বছর ৪টি গরু এসেছিলাম বিক্রি করেছি, দেখে এবার আল্লাহ কি করেন।


































আপনার মতামত লিখুন :