নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন সহ সকল উপজেলার ইতোমধ্যে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশু হাটের দরপত্র সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে যারা ইজারাদার হয়েছেন তাদের কাগজপত্র বিতরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ইজারা পেয়ে হাটের প্রস্তুতি কালেই বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রলার ভর্তি গরু এসেছে পড়েছেন। শুক্রবার ১৫ মে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নের কয়লাঘাটে অস্থায়ী পশুর হাট প্রস্তুতির আগে গরু ট্রলারের হিড়িক পড়েছেন।
শুক্রবার ছুটির দিনে হাটে গরু আনাগোনা হাজারো মানুষ ঢল নামে শীতলক্ষ্যা ব্রীজের নিচে। শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ইজারাদারের লোকজনের যখন হাটের বাঁশ নিয়ে হাটের চারিদিক ছোটাছুটি করছে তখন হাটের অর্ধেক অংশ গরু ভরে গেছে। বেশিভাগ গরু এসেছে সিরাজগঞ্জ জেলা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।
বেপারীরা জানিয়েছেন, বিগত বছরের মত এবারো এই হাটে উঠেছি। এখনো হাট প্রস্তুত না থাকায় গরুগুলো খোলা আকাশে নিচে আতংকে রয়েছি। তারপর ইজারাদারের লোকজনের প্রতিনিয়ত আমাদের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ থেকে গরু বেপারী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, দুপুর ২টায় এসেছি ২০টি গরু। এখন পর্যন্ত গরুগুলো উপরে টেলপার পাচ্ছি না। তাই বৃষ্টি উপেক্ষা করে এখন অপেক্ষায় রয়েছি। সিরাজগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জ আসতে নদী পথে কোন বাধা পায়নি। এই হাটে উঠার জন্য কোন বাধাগ্রস্ত করেনি। গত বছর এসে ছিলাম সব গরুর বিক্রি করেছিলাম বলে আবারো এসেছি।
সিরাজগঞ্জ থেকে আগত গরু বেপারী আকবর হোসেন জানান, দেশি বিদেশ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২১টি গরু নিয়ে আসছি সিরাজগঞ্জ থেকে। বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জে আনা পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি। তার এলাকার আরেকজন গরু বেপারী মকবুল হোসেন জানান, গরু আনছি ১১টি পথে কোন সময় হয়নি। গত বছর ৪টি গরু এসেছিলাম বিক্রি করেছি, দেখে এবার আল্লাহ কি করেন।
ইজারাদারের কয়েকজন জানান, মাত্র টেন্ডারে হাটের পেয়েছি। কাগজপত্র পেতে ইজারাদার ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তার মধ্যে হাটে হঠাৎ গরু ভর্তি ট্রলার এসে পড়ায় চাপে পড়েছি। দ্রুত আজকের রাতে মধ্যে গরু নিরাপদে জন্য ট্রেলপার ও বাশঁ প্রস্তুত করতে একাধিক টিম কাজ করছেন।


































আপনার মতামত লিখুন :