আগে থেকেই ঘোষণা ছিল প্রি পেইড মিটার লাগাতে দিবে না। লাগানোর চেষ্টা করা হলে ভেঙে ফেলা হবে। কথামত সেই কাজটিই করা হলো।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার মাসদাইরে প্রি পেইড মিটার লাগাতে গিয়ে ডিপিডিসির কর্মকর্তারা বাধার মুখে পড়ে। শুধু বাধা না বরং ঘোষণা অনুযায়ী বাশ দিয়ে ভেঙে ফেলা হয় কয়েকটি মিটার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই ভিডিও এখন ভাইরাল।
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুতের প্রি পেইড মিটার স্থাপন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নাগরিক আন্দোলন চলে আসছিল। ডিপিডিসি অফিসে মানববন্ধন, স্মারকলিপি দেওয়া হয়। সেদিনই ঘোষণা ছিল জোরদার হবে এ আন্দোলন।
থেমে থাকেনি আন্দোলনকারীরা। জেলা প্রশাসক প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয় স্মারকলিপি।
পরে দেখা করেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল আমিনের সঙ্গে। তিনিও রীতিমত আন্দোলনকারীদের পক্ষে নেন।
১ আগস্ট স্মারকলিপি পেয়ে এমপি সাফ জানিয়ে দেন এ প্রকল্প ছিল আওয়ামী লীগের আমলের একটি লুটপাটের অংশ।
এমপির এ বক্তব্য যেন আন্দোলনকারীরা আরো উৎসাহিত হন। একই দিনে মাসদাইরে প্রি পেইড মিটার লাগাতে যায় ডিপিডিসির টিম। সেখানে বাড়ির মালিকেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলো ভাঙচুর চালায়।
খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান নাগরিক আন্দোলনের প্রধান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল।
নারায়ণগঞ্জে দিন দিন এ প্রি পেইড মিটারের বিরুদ্ধে জনমত বাড়তে শুরু করেছে। সবশেষ মিটার ভাঙার যে দৃশ্য তাতে অনেকটাই নিশ্চিত আগামীতে এ ধরনের প্রতিরোধ আরো তীব্রতর হবে।

































আপনার মতামত লিখুন :