News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

যানজট হকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১১ দফা দাবী


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম যানজট হকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১১ দফা দাবী

১২ এপ্রিল রবিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়া শহীদ মিনার চত্বরে “আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরউদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বদরুল হকের সঞ্চালনায় নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

সভাপতি সহ নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মন্টু, সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস আজাদ, কুতব উদ্দিন আহাম্মদ, রমজানুল রশিদ, লোকমান আহাম্মদ, সম্পাদকমন্ডলী সদস্য মহিউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম জাগু, সংগঠনের উপদেষ্টা সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সবুজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা খোদেজা খানম নাসরিন, ক্রীড়া সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির পোকন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু প্রমুখ।

সভায় বক্তাগণ ১১ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগনকে সচেতন হয়ে সংগ্রাম, আন্দোলন করার আহ্বান জানান।

যানজট নিরসনে মীরজুমলা রোড ও ইনষ্টিটিউট রোড, বঙ্গবন্ধু সড়ক, শায়েস্তা খান সড়ক, সিরাজউদৌল্লা সড়ক থেকে সকল প্রকার হকার ও অবৈধ ভাসমান দোকান অপসারণ করতঃ যানবাহন ও পথচারী চলাচল উন্মুক্ত করা।

২নং রেল গেইট, বঙ্গবন্ধু সড়কের গলাচিপা মোড়, নাঃগঞ্জ ক্লাবের পশ্চিমের রাস্তার উভয় পাশে উল্টো পথে যান চলাচল বন্ধকরণ। নারায়ণগঞ্জ শহরে অবৈধ ইজিবাইক প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। 
        
২নং রেল গেইট থেকে বাস ষ্টপেজ অপসারণ এবং এসএস রোড (চেম্বার রোড) থেকে বাম দিকে কোনাকুনি(মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভ সংলগ্ন) বঙ্গবন্ধু সড়কে যাওয়ার ফুটপাত ও রাস্তাটি হকার মুক্ত করে পথচারী ও যান চলাচলে উন্মুক্ত করা।

২নং রেল গেইট হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন দেওভোগ অঞ্চলে প্রবেশের জন্য বৈধ প্রবেশ পথ তৈরি করা।
      
২নং গেইট তথা আলমাস পয়েন্ট থেকে উত্তরে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কের পশ্চিম পার্শ্বের রাস্তাটি ১০/১৫ ফুট প্রশস্ত করা এবং তৎ সংলগ্ন পার্কটির স্থলে রাস্তা প্রশস্ত করা।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল চলাচল চাষাড়া পর্যন্ত সীমবদ্ধ রাখা। সেইস্থলে ১নং রেলগেইট থেকে চাষাড়া পর্যন্ত রেলপথকে সড়কপথে রূপান্তর করা। জরুরী ভিত্তিতে ২নং রেল গেইট থেকে রেল লাইনের পশ্চিম পাশ দিয়ে চাষাড়া মহিলা কলেজ পর্যন্ত অস্থায়ী রাস্তাটি সংস্কার করে দ্রুত যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা।

মেট্রোরেল সংযোগ নারায়ণগঞ্জ শহরের সাথে যুক্ত করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা।

সিটি পার্ক, জল্লারপাড় লেক ও বাবুরাইল খালের পানিতে ভাসমান কচুরীপানা ও ময়লা আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার করত: তা প্রতি মাসে অন্তত: দুই বার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। বঙ্গবন্ধু রোড সহ শহরের সকল সড়ক বাতি এবং সিটি পার্ক, জল্লারপাড় লেক ও বাবুরাইল লেকের চতুর্পাশে স্থাপিত অচল সড়ক বাতিগুলি অতি দ্রুত ধারাবাহিক ভাবে সচল রাখা।

আবাসিক সাবমারসিবল ব্যবহারকারীদের নিবন্ধন ও বাৎসরিক কর এবং পৌর করের সাথে ৫% অযৌক্তিক পানির কর রহিত করা। পিপাসার্ত পথচারীদের জন্য পূর্বের ন্যায় প্রতি ৫০০ ফুট অন্তর অন্তর পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা।

নারায়ণগঞ্জ জেলাকে বিশেষ শ্রেণির জেলায় উন্নিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ (গাজীপুর জেলা ৫টি উপজেলা নিয়ে বিশেষ শ্রেণিভুক্ত)।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কর্মসূচী জোরদার সহ জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

শায়েস্তা খান সড়কে অবস্থিত নব-নির্মিত অব্যবহৃত আদালত ভবনে একটি হার্ট সেন্টার, একটি বার্ণ ইউনিট ও একটি কিডনী ডায়ালসিস সেন্টার স্থাপন করা।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী হাজীগঞ্জ ও সোনাকান্দা দূর্গ দু’টি সংস্কার করে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

নারায়ণগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে।

মীর জুমলা রোডে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের অব্যবহৃত জায়গাটি অধিগ্রহণ করে সেখানে শাক-সবজির ট্রাক লোড-আনলোড ও পাইকারী বেচা-কেনার জায়গা নির্ধারণ করা।

আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের নীচ তলার বারান্দার ফুটপাতের উপর নির্মিত অবৈধ বর্ধিত অংশটি অপসারন করা এবং পাঠকদের সুবিধার্থে আলী আহম্মদ চুনকা নগর পাঠাগারের পাঠ কক্ষটি নিচ তলায় দ্রুত স্থানান্তর করা।

মানববন্ধন কর্মসূচী সমাপ্তির পর নেতৃবৃন্দ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে উপরোল্লেখিত ১১ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নুর কুতুব উল আলম এর নিকট প্রদান করেন।

মানববন্ধন কর্মসূচী আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে আব্দুস সাত্তার ভুট্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হোসেন জুলু, শহীদুল ইসলাম ফয়সাল, সাইদুল ইসলাম শাকিল, খ.ম সুলতান, শেখ সেলিম আহমেদ, শওকত আলী, জুয়েল, ফারুক হোসেন, জামিল আহাম্মদ, হারুনুর রশিদ মিলন, প্রচার সম্পাাদক ওয়াহিদুজ্জামান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক রাজিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, হোসেন উদ্দিন, হাজী গোখরান শেখ, হাজী কাইয়ুম নবাব, ওয়াসিদ আল আজাদ অপূর্ব, মোঃ সাইফুল ইসলাম, রায়হান, জামিল আহমেদ, শওকত আলী, হিরু মিয়া, গোলাম ফারুক, আব্দুল মজিদ, বিপুল হোসেন শুক্কুর, নুর হোসেন, মোঃ সুলতান সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।