২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত মাথাল প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন শহরের ১৩ ও ১৫ নম্বর (নাসিক) ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত আমলাপাড়া, কালিরবাজার, টানবাজার, কুটি পাড়া, রেলি বাগান, করিম মার্কেট, নয়ামাটি সহ প্রমুখ এলাকায় গণসংযোগ করেন।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ বিপ্লব খান, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন মারুফ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সহ সভাপতি সৃজয় সাহা, রনি শেখ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, আমি নির্বাচিত হলে ফুটপাত, অবৈধ স্ট্যান্ড এবং অটোরিক্সা থেকে দৈনিক বা মাসিক মাসোয়ারা আদায়ের এই দীর্ঘদিনের অনৈতিক ও অবৈধ প্রথা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করবো এটাই আমার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি।
তিনি বলেন, মাসোয়ারা প্রথার কারণে খেটে খাওয়া মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অটোরিক্সা চালক এবং সাধারণ নাগরিকরা প্রতিদিন জিম্মি হয়ে পড়ছে। এই অবৈধ আদায় শুধু মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করছে না, শহরের শৃঙ্খলা, যানজট ও নিরাপত্তাকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তারিকুল ইসলাম সুজন আরও বলেন, নির্বাচিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখল, অবৈধ যানবাহন স্ট্যান্ড এবং মাসোয়ারাভিত্তিক চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব খাটিয়ে কেউ এই অনিয়ম চালাতে পারবে না।
তিনি অঙ্গীকার করেন, ফুটপাত হবে পথচারীদের জন্য, স্ট্যান্ড চলবে নিয়ম মেনে, আর অটোরিক্সা চালকরা হবে মাসোয়ারামুক্ত। শহরের প্রতিটি নাগরিক যেন শান্তিতে চলাচল ও জীবিকা নির্বাহ করতে পারে, সেটাই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও চাঁদাবাজিমুক্ত শহর গড়তে আমি জনগণের সমর্থন চাই। এই লড়াই একার নয়—জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এই পরিবর্তন আনা হবে।


































আপনার মতামত লিখুন :