২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী ছিলেন এক অভাবনীয় চরিত্র। সারা বছর নিরাপদে থাকা এই নেতা ঠিক নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এসে সক্রিয় হয়ে মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়। আবার নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই অবস্থার বেগতিক বুঝে চুপসে যান। ওই সময়ে কাসেমী বিএনপি নেতাকর্মীদের ফেলে চলে যান। প্রায় ৮ বছর পর বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোন ধরনের যোগাযোগ করেনি। এবার সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে সরব হয়ে উঠেন তিনি। জমিয়তের সঙ্গে বিএনপির জোটের কারণে তিনি ফের মনোনয়ন পান। এবারও বিএনপি নেতাকর্মীদের শঙ্কা কোন কারণে হেরে গেলে আগের মতই নারায়ণগঞ্জ ছাড়বেন কাসেমী। যেকারণে দলের নেতাকর্মীরা তাকে বসন্তের কোকিল হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন। আর দলের মধ্যে থাকা এরুপ কাশেমী মার্কা বসন্তের কোকিলদের কারণে দলকে আরো কড়া মাশুল দিতে হতে পারে বলে মনে করছেন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, ২০১৮ এর নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীরা কাশেমীকে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। যেকারণে তারা অনেকটা মনক্ষুন্ন হয়ে এই আসনের ধানের শীষের নির্বাচন বয়কট করে। নির্বাচনে আগে প্রচারণা বিমুখ নাটকীয় কাশেমী নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যায় অসুস্থার অজুহাতে।
দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এবার জোটের কারণে কাসেমীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করছেন। বিগত সময়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে কাশেমীকে কখনো মাঠে রাজনীতিকে দেখা যায়নি। এমনকি তাকে কেউ চিনেও না। রাজনীতিকে নিষ্ক্রিয় একজন নেতা হঠাৎ করে উঠে এসে জুড়ে বসে মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়। খেজুর গাছ প্রতীক থাকায় বিএনপিও মনোক্ষুন্ন। কারণ তাকে ঘিরে রেখেছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কয়েকজন।


































আপনার মতামত লিখুন :