নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে বেশ আলোচনা ছিল। এদের অনেকেই বিএনপির রাজনীতিতি সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের বহিস্কার করা হলেও মাঠ ছাড়েনি। কিন্তু ভোটের মাঠে তারা ছিলেন একেবারেই তলানিতে।
ভোটের হিসেবে আলোচিত নেতাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তবে স্বতন্ত্রদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভোট পেয়েছেন বিএনপির সাবেক নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম। তিনি ফতুল্লায় ৩৯ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ভোটের হিসেবে তিনি তৃতীয়। অন্য প্রাথীদের চেয়েও তিনি বেশী ভোট পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। বিএনপি তাকে বহিস্কার করেছিল। তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ১৮ হাজার ৭৪৪। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮ যাদের মধ্যে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৩ ভোট গৃহীত হয়েছে। নির্বাচনের আইন অনুযায়ী গৃহীত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে হিসেবে আঙ্গুরের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনে দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন আলোচনায় ছিলেন সাবেক এমপি রেজাউল করিম ও গিয়াসউদ্দিন। এ দুইজনকেও বিএনপি বহিস্কার করেন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৪৬ জন। এর মধ্যে গৃহীত হয় ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২ ভোট। এখানে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট ও রেজাউল করিম ৪ হাজার ৫৯৬ পেয়ে উভয়ের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন গিয়াসউদ্দিন ও শাহআলম। শাহ আলমকেও বিএনপি বহিস্কার করেছেন। এ আসনে ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮১৩ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯ ভোট গৃহীত হয়। এ আসনে হরিণ প্রতীকে মো. শাহ আলম ৩৯ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়েছেন। গিয়াস উদ্দিন ৪ হাজার ৭৭৯ ভোট পান। তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে আরেক আলোচিত বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ১১ হাজার ৩২৮ ভোট। তাঁরও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৫১ ভোট।




























আপনার মতামত লিখুন :