হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে। শহর বন্দর নিয়ে গঠিত এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। তিনি এর আগে এখানে আরো তিনবার জয়ী হয়েছেন। এবার নিয়ে চতুর্থ বারের মতো শহর বন্দরের ভোটারদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন কালাম।
তবে কালাম এর আগে যতটা সহজে জয়ী হয়ে সংসদে গিয়েছিলেন এবার তা হয়নি। ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুনের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে তার।
এর আগে, শুক্রবার সকাল ৭ টা থেকে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের ১১৯ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহন চলে। ভোট গননা শেষে রাত ১২ টার পর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষনা করা হয়।
জানা যায়, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানা নাটকীয়তা শেষে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। নির্বাচনের মাঠে তিনি বেশ দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন লোক। ভোটের মাঠে তার বেশ দখল রয়েছে। সেই সাথে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার শুরু থেকেই তিনি এগিয়ে রয়েছেন। বন্দর এলাকায় ভোটের মাঠে তার একচেটিয়া দখল ছিলো।
এদিকে তার বিপরীতে চূড়ান্তভাবে ভোটের মাঠে নেমেছেন ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন। যদিও এই আসনটি অনেকটাই ঘুচিয়ে এনেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। কিন্তু নির্বাচনী সমঝোতার স্বার্থে এই আসনটি খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে এবিএম সিরাজুল মামুনের জন্য ছেড়ে দেন। যার সারা নারায়ণগঞ্জজুড়েই নিরব গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
ক্লিন ইমেজের লোক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় হিসেবে হিসেবে এবিএম সিরাজুল মামুনের এগিয়ে যাওয়ার অনেক সম্ভাবনাময় পথ খোলা ছিল।বিএনপির বিপরীতে থাকা সকল রাজনৈতিক দলগুলো একজোট হয়ে কাজ করবেন সিরাজুল মামুনের পক্ষে। বিশেষ করে তার পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বেশ জোরালো ভূমিকা রেখেছেন।
































আপনার মতামত লিখুন :