নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনী রাজনীতিতে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একজনই আর তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। একসাথে দুটি আসনে লড়েছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বহিষ্কারের মুখে পড়লেও তিনি থেমে যাননি; বরং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ দুই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে পুরো মাঠে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছিলেন। দুই জায়গাতেই তিনি জামানত হারিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনে দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন আলোচনায় ছিলেন সাবেক এমপি রেজাউল করিম ও গিয়াসউদ্দিন। এ দুইজনকেও বিএনপি বহিস্কার করেন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৪৬ জন। এর মধ্যে গৃহীত হয় ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২ ভোট। এখানে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট ও রেজাউল করিম ৪ হাজার ৫৯৬ পেয়ে উভয়ের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন গিয়াসউদ্দিন ও শাহআলম। শাহ আলমকেও বিএনপি বহিস্কার করেছেন। এ আসনে ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮১৩ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯ ভোট গৃহীত হয়। এ আসনে হরিণ প্রতীকে মো. শাহ আলম ৩৯ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়েছেন। গিয়াস উদ্দিন ৪ হাজার ৭৭৯ ভোট পান। তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে আরেক আলোচিত বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ১১ হাজার ৩২৮ ভোট। তাঁরও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।




























আপনার মতামত লিখুন :