News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

কষ্টে আছেন বন্দরবাসী


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:২৫ পিএম কষ্টে আছেন বন্দরবাসী

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা এখন চরম দুর্ভোগে নগর রূপ নিয়েছে। দীর্ঘ বছর যাবৎ নেই বাসা বাড়িতে তিতাস গ্যাস। সড়কগুলো বেহাল অবস্থা, সংস্কারে নামে দীর্ঘ সময় ধরে লিংক রোডটি বন্ধ। এর মধ্যে রমজান মাসেই গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে ট্রলার সংকটে পারাপারে চরম সমস্যা ভুগছে বন্দরবাসী। ঘরে ফেরার অটোরিক্সাও এখন সংকটে রূপ নিয়েছে। যার কারণে দিনে দিনে চরম দুর্ভোগে শিকার হয়ে যাচ্ছে বন্দরবাসী।

জানা যায়, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দ্রুত সময়ে গার্মেন্ট ও হোসিয়ারি ছুটি হয়ে যায়। যার কারণে বিকাল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে উপচেপড়া ভিড় হয়। এতে ট্রলার সংকটের কারণে অপেক্ষামান যাত্রীরা নৌকা চড়ে নদী পাড় হতে দেখা গেছে। এ সময় ঘাটে টোল দেয়া পরও নৌকাতে উপচে পড়া ভিড়ে মধ্যে পার হওয়ায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

গার্মেন্ট শ্রমিক জাহানারা খাতুন বলেন, হোসিয়ারি ছুটি থেকে বন্দরে বাড়ি ফেরায় এখন চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

হোসিয়ারি শ্রমিক আসিফ জাহান বলেন, বিগত সময়ে ঘাটের লোকজন ১০টি ট্রলার চলাচল করতো। এখন ঘাটের লোকজন সর্বোচ্চ ৬টি ট্রলার চলাচল করে। যার কারণে অপেক্ষা যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করে যাচ্ছে। সবচেয়ে মধ্য ও বষস্ক মহিলারা ট্রলার উঠা নামাতে খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। অন্যদিকে মার্কেট বা দাওয়াত শেষে ফেরত নারী-পুরুষ বাচ্চাদের নিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা যায়।

অন্যদিকে বন্দর ঘাট থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে অটোরিক্সাগুলো এখন সংকট দেখা গেছে। প্রায় ১২টি পয়েন্টে অটোরিক্সা দেখা যায় না ষ্ট্যান্ডে। যার কারণে হেটে হেটেঁ অন্যত্র স্থান থেকে রিক্সা চড়ে বাড়িতে ফেরাতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বন্দরবাসীদের।

অপরদিকে বাসা-বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে জানিয়েছে বন্দরবাসী। ভুক্তভোগী সোনাকান্দার গৃহিণী মেহেতাজ ভূঁইয়া জানান, বিগত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে বাসায় গ্যাস থাকছে না। আগে ঈদের ছুটিতে গ্যাস সরবরাহ থাকলেও পরদিন থেকে আর গ্যাস থাকে না। এর পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত থাকলেও এখন আর কোন সময়েই থাকে না।

হতাশা নিয়ে দড়ি সোনাকান্দার বিল্লাল হোসেন জানান, বিগত দুই বছরের আগে থেকে বাসা বাড়িতে কোন গ্যাস থাকে না। গ্যাস পাইপ থেকে পানি বের হয়। মেরামত করার আবেদন করেও তিতাস গ্যাসের কোন সহযোগিতা পাইনি। বরং মাসে মাসে বিল পরিশোধ করে এখন অতিরিক্ত খরচে রয়েছি। কারেন্টের চুলা ও কেরোসিন তেলের চুলায় প্রতিদিন অতিরিক্ত খরচে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। বর্তমান ইউনুছ সরকারের কাছে দাবি থাকবে, গ্যাস সরবরাহে সহযোগিতার।