খেলাফত মজলিসের মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ বলেছেন, সারাদেশেই পত্রিকা খুললেই মাদক ছিনতাই সন্ত্রাস। পত্রিকার পাতায় পাতায় মাদক ছিনতাই খুনের কথা। কিছুদিন পরপরই এই কাশীপুর এলাকায় খুনের কথা শুনি। সবকিছুর মূলে এই মাদক।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত নিরাপদ কাশীপুর গড়ার প্রত্যয়ে খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এদিন কাশীপুরের ভোলাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেই সাথে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন।
মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। কোথাও তিনি মাদকের স্পটের কথা বলেন নাই। কিন্তু নারায়ণগঞ্জে এসে মাদকের ২০ টি স্পটের কথা বলেছেন। তার কাছে আমাদের জিজ্ঞাসা; তারেক রহমান সাহেব আপনি নারায়ণগঞ্জের জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এটা আমাদের জানার দরকার আছে। আপনি জনগণের দায়িত্ব আদায়ের জন্য বসেছেন। কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এটা জানার অধিকার জনগণের আছে।
তিনি আরও বলেন, কাশীপুর নয় শুধু সর্বত্রই এলাকার সবচেয়ে সমস্যা মাদকের সমস্যা। সকলেই এক কথা বলবে। শ্রমিকরা বলবে ছিনতাইয়ের সমস্যা। গার্মেন্ট থেকে বের হলে মহিলাদেরকে ধরে নিয়ে ছিনতাই করে। প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অলি গলিতে মাদকের ছড়াছড়ি; কিশোর গ্যাংয়ের তান্ডবে এলাকার মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারছে না। বিএনপির অফিসেও মাদক কারবারিরা হামলা করে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
শেখ শাব্বীর আহমাদ বলেন, কাশীপুর ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে প্রত্যেকটি এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দূর্গ গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সমাজের সবাইকে পঞ্চায়েত গঠন করতে হবে। পঞ্চায়েত ভিত্তিক সমাজ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রেখে সমন্বয় করে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রশাসন দিয়ে মাদক দূর করা সম্ভব না।



































আপনার মতামত লিখুন :