বর্ষিয়ান বিশিষ্ট ছড়াকার আখতার হুসেন বলেছেন, এক সময় দেশে খেলাঘর, চাঁদের হাট, কচি কাচার মেলাসহ অনেক শিশু সংগঠন সক্রিয় ছিলো। কিন্তু এখন দেশে শিশু সংগঠনের একটা খরা চলছে। শিশুদের মানষিক বিকাশের জন্য শিশু সংগঠন গড়ে তোলা প্রয়োজন। নারায়ণগঞ্জে এখানো সে ধারাটি টিকে আছে। নারায়ণগঞ্জে খেলাঘরের প্রতিটি উপজেলায়, বেশিরভাগ ইউনিয়নে সংগঠন আছে। দেশের অনেক বিখ্যাত গ্রন্থাগারে যে বই আমি খুঁজে পাইনি সেটি নারায়ণগঞ্জের সূধীজন পাঠাগারে পেয়েছি। সূধীজন দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ পাঠাগারের একটি। খেলাঘর আসর ও সূধীজন পাঠাগার- নারায়ণগঞ্জের অন্যতম দুইটি গর্বের বিষয়।
শুক্রবার সকালে শিশু সংগঠন ‘খেলাঘর আসরের’ সপ্তম জেলা সম্মেলনের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
নগরীর দুই নং রেলগেট এলাকায় অবস্থিত আলী আহম্মদ চুনকা সিটি মিলনায়তনে জেলা খেলাঘরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধীনতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারন সম্পাদক রেজাউল কবীর, কেন্দ্রীয় সম্পাদক আমিনুল রানা, জেলার সাবেক সভাপতি রথীন চক্রবর্তী, জেলা গণতান্ত্রিক আইনজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক আওলাদ হোসেন, জেলা উদিচির সভাপতি জাহিদুল হক দীপু, জেলা উন্মেষের উপদেষ্টা প্রদীপ ঘোষ বাবু, শিশু সংগঠক আব্দুল আজিজ, জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী, জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি রিনা আহমেদ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে জহিরুল ইসলাম জহির বলেন, ১৯৯৯ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলায় খেলাঘরের ৫টি শাখা ছিলো। সেখানে বর্তমানে ৫৪টি শাখা কাজ করছে। খেলাঘর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিশুদের বিজ্ঞানমনস্ক- অসাম্প্রদায়িক- দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
দিনব্যাপী আয়োজনে ছিলো নৃত্য, গান, আবৃত্তি পরিবেশন। এ উপলক্ষে মাসব্যাপী নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে হাতের লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। যার পুরস্কার সন্ধ্যায় কাউন্সিল অধিবেশন শেষে প্রদান করা হয়। কাউন্সিলের জহিরুল ইসলাম জহিরকে সভাপতি ও রাজিব দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে খেলাঘরের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।





































আপনার মতামত লিখুন :