সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের আবেদনে রূপগঞ্জে সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর দখলে থাকা সরকারি খাল উদ্ধারে সরেজমিন জরিপ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সহ এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এই জরিপ চালানো হয়।
তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, গাজী টায়ার ফ্যাক্টরির উপর দিয়ে খাল ছিলো। এই খালটি ভরাট করে গাজী টায়ার ফ্যাক্টরি সহ আশপাশের ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। আমরা খালটি উদ্ধার করার জন্য জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছিলাম। জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের নির্দেশে ইঞ্জিনিয়ার রাজীবের নেতৃত্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের টিম এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে প্রাথমিক জরিপ করেছে। পরবর্তীতে আরও গভীরভাবে জরিপ করে খালটি যেন উদ্ধার করা যায় সেই বন্দোবস্ত তারা করবেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশব্যাপী খাল উদ্ধার করা এবং অবৈধ দখল উদ্ধার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আগে প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের প্রভাবে জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলো। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করি; বর্তমান সরকার আমলে রূপগঞ্জের খালগুলো উদ্ধার হবে। আমাদের খাদুন মৌজার খালটিও উদ্ধার হবে এবং জনগণের কাজে ব্যবহৃত হবে।
এর আগে খালটি উদ্ধারে গত ২৭ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের কাছে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিলো।
সে সময়ে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রনী সেচ প্রকল্পের আওতায় রূপগঞ্জ উপজেলা-তারাবো পৌর সভা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড খাল খনন করে। এই খালের মাধ্যমে মানুষ সেচের কাজ করতো। জমি জমা ধান চাষ এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন হতো। পরবর্তী সময়ে রূপগঞ্জের এমপি এবং মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ফ্যাক্টরি করে। এই ফ্যাক্টরি করতে গিয়ে খালের অর্ধেকাংশ ভরাট করে দখল করে। যার কারণে এলাকায় পানি নিষ্কাশন হয় না। সেচের কাজও হয় না। প্রায় সবসময়ই জলাবদ্ধ থাকে।
তিনি আরও বলেন, রূপগঞ্জে এখন জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এই খাল খুলে দিয়ে জনগণের ব্যবহারের উপযুক্ত করার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছি। জেলা প্রশাসক আমাদের আশ^স্ত করেছেন। তিনি বলেছেন জনস্বার্থে এই খাল উদ্ধার করবেন।




































আপনার মতামত লিখুন :