শিল্প পুলিশ নারায়ণগঞ্জ-৪ এর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, বিক্ষুব্দ শ্রমিকদের হামলায় পুলিশের ১০-১২ জন সদস্য আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে শতাধিক রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে। কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখে উস্কানীদাতাদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করেেছ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দ্বিতীয় দিনের মত মঙ্গলবার বিক্ষোভ দেখিয়েছে গার্মেন্ট কারখানার শ্রমিকেরা। তারা দুই দফায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছে।
মজুরি বৃদ্ধির দাবীতে সোমবার বিক্ষোভ করে শ্রমিকেরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে গার্মেন্ট পরিস্থিতি শান্ত ছিল। কিন্তু দুপুর ২টার পর থেকে ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে বেরিয়ে আসে। তারা শিবু মার্কেটে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সড়ক অবরোধ করে। এতে ৩টা পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল শুরু হয়।

তবে বিকেল ৪টায় শ্রমিকেরা আবারো জড়ো হয়ে লিংক রোডে অবস্থান নেয়। তারা অগ্নিসংযোগ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এসে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। প্রায় পৌনে ১ ঘণ্টা পর শ্রমিকেরা সরে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।




































আপনার মতামত লিখুন :