১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে চলতি বছরের দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা। ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠীর শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব। ইতোমধ্যে শারদীয় দূর্গোৎসব উদযাপনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে প্রতিমা তৈরি শিল্পীরা।
১৫টি পূজা মন্ডপ বৃদ্ধি নিয়ে নারায়ণগঞ্জে এবার ২৩৯টি পুজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা উৎসব। জেলা প্রশাসন এরই মধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা ঘোষনা দিয়েছেন। পূজার সময় চুরি, ছিনতাই, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ অপরাধ ঠেকাতে সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে ৭৫০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে প্রতিটি মণ্ডপে জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও স্বেচ্ছাসেবক রাখার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। গত বছর ২২৪ পূর্জা মন্ডপে দুর্গাপূজায় ৭০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবার এ সংখ্যা বাড়িয়ে ৭৫০ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, পূজার সময় চুরি, ছিনতাই, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ টহল দল কাজ করবে। প্রতিমা তৈরির স্থান এবং প্রতিমা মণ্ডপে নেওয়ার সময় মোবাইল টিমের মাধ্যমে নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
এদিকে নবাগত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, দুর্গাপূজা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। পূজা যাতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বংশক্রমে কয়েক প্রজন্ম ধরে প্রতিমা তৈরী করছেন সুমন পাল পরিবার। ভালবাসা থেকে বাবার হাত ধরেই প্রতিমা তৈরীর দিক্ষা তার। তাঁর মতো বাঁশ, কাঠ, কাঁদা মাটি, খড় আর পাটের দড়ি নিয়ে প্রতিমা তৈরীতে পুরো ব্যস্ত পুরো নারায়ণগঞ্জের প্রতিমা শিল্পীরা। তবে চলতি বছর জিনিসপত্রের চড়া দাম আর আগের তুলনায় পারিশ্রমিক কমে যাওয়া কিছু হতাশা এই প্রতিমাশিল্পীরা।
পূজা উপলক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জানান, পুজার আয়োজন নিয়ে সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের সাথে আলোচনা শেষ হয়েছে। আর পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নজর দেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে।









































আপনার মতামত লিখুন :