নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠনে তোড়জোড় চলছে আত্মগোপনে থাকা নেতাদের। ইতোমধ্যে তাদের অনুসারীদের দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে রাজপথে দাপুটে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আইন-শৃঙ্খলা তৎপরতায় জেলা ও মহানগর একাধিক যুবলীগের প্রত্যাশিত নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অন্যদিকে কমিটি গুঞ্জনে আলোচনা উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক পদে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি। তার সাথে নাম শোনা গেছে ফতুল্লার ত্রাস মীর হোসেন মীরু ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু’র ভাই নাজমুল ইসলাম।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের আহবায়ক পদে তোড়জোড় রয়েছেন বর্তমান শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু ও সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ রেজা উজ্জল। তাদের সাথে এবার নতুন করে পাল্লা দিচ্ছেন জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরি ওসমান।
যুবলীগের ফেসবুক সূত্রে জরুরি ঘোষণায় জানা গেছে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে যে সকল জেলা/মহানগর শাখায় আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত তা পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি সে সকল জেলা/মহানগর শাখার কমিটি আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ করে বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দকে যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ, বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সাংসদ মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার নিকট প্রেরণ করার জন্য আদেশক্রমে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
বার্তা প্রেরক, মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-দপ্তর সম্পাদক, দপ্তর সেল, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ নেয়ার জন্য গত বছর থেকে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন সাফায়েত আলম সানি, আজমেরী ওসমান ও মীর হোসেন মীরু। চব্বিশের পাচঁ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন শহর যুবলীগের সভাপতি সাজুন, সাধারণ সম্পাদক উজ্জল, জেলা সভাপতি আব্দুর কাদির ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল।
চলতি বছরের মার্চে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন ফেসবুক সূত্রে কেন্দ্রীয় কমিটি। এবার অক্টোবর শুরুতে জেলার অধীনে কয়েকটি উপজেলা আংশিক কমিটি পর পূণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জামির হোসেন রনি। তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ইতোমধ্যে জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আংশিক কমিটি দেয়া হয়েছে।
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটিতে এখনো রাজপথে দেখা না গেলেও সম্প্রতি রোজা ও কোরবানী ঈদে গোপনীয়তায় ত্রাণ বিতরণে দেখা গেছে। নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ রুবেলকে এখনো সক্রিয়তা দেখা যায়নি।


































আপনার মতামত লিখুন :