নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও বন্দরে আলোচিত দুটি ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ।
পৃথক অভিযানে মোট ৫ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় লুট হওয়া প্রায় ৮ ভরি ৭ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন ব্যাগ এবং একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এই তথ্য জানান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মোঃ হাছিনুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ইসরাত জাহান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মোঃ শামীম হোসাইনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জাপানপ্রবাসী এক পরিবারের গাড়ি থামিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুট করা হয়।
এ ঘটনায় তদন্তে নেমে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে ডাকাত দলের সর্দার কবির হোসেনসহ চারজনকে গ্রেফতার করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয়ের মাগুড়া প্লট এলাকার ঝোপঝাড় থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার ও অন্য মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ মামলার আরও একজন আসামি পলাতক রয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২ জুলাই বন্দরের ১১০ কেভি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আনসার সদস্যদের দুটি শটগান ডাকাতির ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জ থেকে ডাকাত দলের সর্দার ফারুক হোসেন ওরফে আইস ফারুককে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে একটি লুট হওয়া শটগান উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র আইনের মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অন্যদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়াও সোনারগাঁওয়ে মার্কেট থেকে ১৪৬টি দামি মোবাইল লুটের ঘটনায় আটককৃত ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।







































আপনার মতামত লিখুন :