নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও নাশকতা প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়ে বিএনপির ধারাবাহিক ও কঠোর অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে দলটির প্রকাশ্য তৎপরতা ও মিছিল-মিটিং হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। এমন নিষিদ্ধ সংগঠনের সভানেত্রী জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা যায়নি নেতাকর্মীরা। এদিকে গত কয়েক মাস যাবৎ নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল ও বাসে আগুন উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
চলতি মাসে শুরুতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ মিছিল বা ককটেল বিস্ফোরণের মতো নাশকতা ঘটায়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো (যেমন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল) তৎক্ষণাৎ সাত কর্মসূচী নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু করে। এতে নিশ্চুপ হয়ে পড়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির রাজনৈতিক চাপ ও সতর্ক অবস্থানের পাশাপাশি পুলিশ ও যৌথ বাহিনী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের আটক করেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাসদ কার্যালয় থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সন্দেহে তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এতে নারায়ণগঞ্জের জাসদের তিন নেতা আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেয় ডিএমপি।
এদিকে সাত দিন কর্মসূচী মাধ্যমে সমাবেশে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বিভিন্ন সমাবেশ করেছেন। এতে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা রাজপথে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে হুংকার দেয়।
চলতি মাসেই শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক (বলাকা ফিলিং স্টেশনের সামনে), মাসদাইর এলাকার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক এবং বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ ধরনের ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। এসব মিছিল সাধারণত ভোরের দিকে যখন মানুষের চলাচল কম থাকে তখন বের করা হয় বলে জানা পুলিশ। নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে এমন মিছিল করার কারণে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে মহাসড়ক সহ এলাকাগুলোতে ঝটিকা
মিছিলকালে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।



































আপনার মতামত লিখুন :