প্রতিদিন দুপুর ৩টা পর হকার উচ্ছেদে অভিযান চালায় সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনের যৌথ ভ্রাম্যমান আদালত। ঈদকে সামনে রেখে আবারো ফুটপাত ও সড়কে হকারা দখল করে রেখেছে।
চাষাঢ়া থেকে গ্রীন্ডলেজ ব্যাংকের দুই পাশের ফুটপাত ও সড়কেই ১৩ এপ্রিলের আগে পুরানো চেহারা ফিরে এসেছে ফুটপাতে।
অভিযান পরিচালিত হলেও ফুটপাতে আবারো দখলে চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আওয়ামীলীগের আমলে মেয়র ও এমপি মধ্যে বিরোধ থাকায় হকার নিমূল করা সম্ভব হয়নি। এবার বিএনপির এমপি ও প্রশাসক একত্রে থাকলেও এখনো হকারদের বেপরোয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী।
গত ২০ এপ্রিল থেকে শহরে ফুটপাত ও সড়কের হকারদের সঙ্গে নাসিকের সাথে চলছে লুকোচুরি খেলা। গত ১৩ এপ্রিল ঢাকঢোল পিটিয়ে নাসিক প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ফুটপাত ও সড়ক থেকে হকারমুক্ত করা হয়। এরপর থেকে এক সপ্তাহে কোন হকারদের দেখা যায়নি ফুটপাতে। শহরের ২নং রেলগেট থেকে বিবি রোড হয়ে চাষাঢ়া পর্যন্ত এবং ২ নম্বর রেল গেট থেকে সিরাজদৌলা রোড হয়ে চারারগোপ পর্যন্ত সড়কের হকার উচ্ছেদ করায় সাধারণ মানুষ চলাচলে স্বস্তি ফিরে আসে।
২০ এপ্রিল বাম পন্থী নেতাদের নিয়ে সড়কে বিশাল মিছিল বের করে হকাররা। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত হকারদের তৎপরতা দেখা যায় এবং ৪ মে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের মারধরে হিংস্রতা প্রকাশ করে। এদিকে মোবাইল কোর্ট অভিযানে রপর ফুটপাত জুড়ে বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে থাকেন হকাররা। ফুটপাত পথচারীদের হেঁটে চলাচলের জন্য নির্মিত হলেও সেখানে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে হকাররা। তাদের পেছনে থেকে কলকাঠি নাড়ছে প্রভাবশালী মহল।
২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে ঘটে গেছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ কিন্তু তাতেও সমাধান মেলেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়ই লোক দেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পরই ফুটপাত চলে যায় হকারদের দখলে। অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে, ফুটপাত দখলের পর হকাররা সড়কেও বসছেন পসরা সাজিয়ে। ফলে সড়কে নিয়মিতভাবে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের।


































আপনার মতামত লিখুন :