১৩ বছরেও বিচারিক কার্য্যক্রমই শুরু হয়নি আলোচিত মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচার। ত্বকী হত্যাকান্ডের ব্যাপারে র্যাবের এক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উঠে এসেছিল ১১ আসামীর নাম যা জাতীয় গণমাধ্যমে বেশ ফলাও করে প্রকাশ হয়। সেই ১১ জনের কার কি ভূমিকা ছিলো পুরো হত্যাকান্ডের সময় জুড়ে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে লোমহর্ষক সেই বিবরণ দিয়েছিলো র্যাব। এছাড়া নিহতের বাবা রফিউর রাব্বিও র্যাবের বরাত দিয়ে ওই ১১ জনের কর্মকান্ড প্রকাশ করেছেন।
ওই ১১ জন হলেন আজমেরী ওসমান পিতা: একেএম নাসিম ওসমান, সুলতান শওকত ভ্রমর পিতা: সোহরাব মিয়া, ইউসুফ হোসেন লিটন পিতা: আলী উদ্দিন, তায়েব উদ্দিন আহমেদ জ্যাকি পিতা: আনিস উদ্দীন, কালাম সিকদার পিতা: আব্দুল মজিদ শিকদার, কাজল পিতা: অজ্ঞাত (যুবলীগ নেতা শাহ নিজামের ভাই), মামুন পিতা: অজ্ঞাত, অপু পিতা: আমান উল্লাহ খান, রাজীব পিতা: ফারুক মিয়া, শিপন পিতা: অজ্ঞাত, জামশেদ শেখ পিতা: আবু জাফর শেখ।
আসামীদের কার্যক্রমের বিবরণ
হত্যাকান্ড বাস্তবায়নের জন্য আল্লামা ইকবাল রোডস্থ আজমেরী ওসমানের উইনার ফ্যাশনকে বেছে নেয়। উইনার ফ্যাশনটি টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উইনার ফ্যাশনটি অনেকগুলো সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এছাড়া ইকবাল রোডের কয়েকটি স্থানে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা আছে যাতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহজে চলাচল করতে না পারে এবং তার আগেই যেন সরে যেতে পারে। শ্রমকল্যান অফিসের সামনে থেকে ত্বকীতে তুলে নিয়ে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে আসে এবং ত্বকীকে হত্যা করে। পরবর্তীতে কুমুদিনী জোড়া খালে লাশ ফেলে দেয়ার কাজে এক্স ফিল্ডার গাড়িটি ব্যবহার করে।
সুলতান শওকত ভ্রমর
একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। ত্বকী হত্যায় জড়িত স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যার মাধ্যমে সে অন্য আসামীদের নাম, ঠিকানা প্রকাশ করে র্যাবের কাছে সবিস্তরে বর্ণনা করে। ত্বকীর লাশ গাড়িতে তুলে উইনার ফ্যাশন থেকে কুমুদিনী খালে ফেলে দেয়ার কাজে সে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করে।
ইউসুফ হোসেন লিটন
ইউসুফ হোসেন লিটন প্রকাশ বিলাইচক্ষু লিটন একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও খুনী। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও খুনের মামলা ছিল। হত্যা মামলায় দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই বক্তব্য র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদেও সবিস্তারে বর্ণনা করেছে। ত্বকী হত্যায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয় এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ত্বকীকে আহত করে। শ্রম কল্যান অফিস থেকে ত্বকীকে তুলে আনার কাজে অংশ গ্রহণ করে। উইনার ফ্যাশন থেকে ত্বকীর লাশ গাড়িতে তুলে চারারগোপে নেওয়া এবং সেখান থেকে নৌকার মাধ্যমে কুমুদিনী খালে ফেলে দেয়ার কাজে সক্রিয় ভাবে অংশ নেয়।
তায়েব উদ্দিন আহমেদ জ্যাকি
নামকরা চাঁদাবাজ। উইনার ফ্যাশনে সে প্রায়ই অন্যান্যদের সাথে পুল/বিলিয়ার্ড খেলতো। হত্যার সময় উইনার ফ্যাশনে উপস্থিত ছিল।
কালাম শিকদার
শহর ও বন্দর এলাকার অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। বালু মহাল ও বিভিন্ন ইজারা ঘাট থেকে চাঁদা আদায় করত। বন্দর থানা এলাকায় কুখ্যাত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। ত্বকী হত্যায় সক্রিয় অংশ নেয়। ত্বকীর বুকের উপর উঠে এবং গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। শ্রম কল্যাণ অফিস এলাকা থেকে সে বিলাইচক্ষু লিটন এবং অন্যরা সহ ত্বকীকে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে হত্যাকান্ড শেষে ত্বকীর লাশ নদীতে ফেলে দেয়।
কাজল হাওলাদার (যুবলীগ নেতা শাহ নিজামের ভাই)
এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ। ত্বকীকে হত্যাকান্ডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সে উইনার ফ্যাশনে উপস্থিত ছিলো। সে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হত্যাকান্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেছে।
অপু
সে আলমাপাড়া এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় ত্বকীকে আগে থেকেই চিনতো। ত্বকীর গতিবিধি নজরদারি করে প্রয়োজনীয় সংবাদ পৌঁছে দিত। হত্যার সময় উইনার ফ্যাশনে উপস্থিত ছিল।
মামুন
ত্বকীকে শ্রম কল্যান অফিস এলাকা থেকে গাড়িতে করে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে আসার কাজে সে অংশ গ্রহণ করে এবং ত্বকীকে সরাসরি আজমেরী ওসমানের কক্ষে নিয়ে যায়। ত্বকীকে হত্যায় সে সরাসরি অংশ নেয়।
রাজীব
ত্বকী হত্যায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে। সে সহ অন্যান্য সহযোগীরা শ্রম কল্যান অফিস এলাকা থেকে এক্স ফিল্ডার গাড়িতে করে ত্বকীকে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে আসে। এছাড়া হত্যাকান্ড শেষে ত্বকীর লাশ এক্স ফিল্ডার গাড়িতে করে উইনার ফ্যাশন থেকে কুমুদীনি জোড়া খালে ফেলে দেওয়ার কাজে অংশ গ্রহণ করে।
শিপন
উইনার ফ্যাশনে সে নিয়মিত অন্যান্যদের সাথে পুল/বিলিয়ার্ড খেলতো। হত্যার সময় উইনার ফ্যাশনে উপস্থিত ছিল।
জামশেদ
আজমেরী ওসমানের গাড়ি চালক। আজমেরী ওসমানের সকল অসামাজিক, কুকর্মের সহযোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী। ত্বকীকে তুলে নিয়ে যাওয়া ও ত্বকীর লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির চালক হিসেবে সে কাজ করেছে।
হত্যার পরিকল্পনা ও বিবরণ
ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বী বামপন্থী একজন নেতা ও সাংস্কৃতিক জোটের সংগঠক। এছাড়া ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির একজন সংগঠক। সিটি নির্বাচনের সময় মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালান তিনি। এতে প্রতিপক্ষরা তার উপর ক্ষীপ্ত ছিল। এছারা ঢাকা নারায়ণগঞ্জে যাত্রী পরিবহনের মালিকরা অনৈতিক ভাবে বাসভাড়া বাড়ানোর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেন তিনি। এতেও ক্ষুব্ধ ছিল স্বার্থন্বেষী মহল তার উপর ক্ষুব্ধ ছিল। এসব কারণেই তার ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ত্বকীর উপর নজরদারী করা হয় এবং সুযোগ বুঝে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আজমেরী ওসমান তার ঘনিষ্ট সহযোগী কালাম সিকদার, ইউসুফ হোসেন লিটন, রাজীব, মামুনকে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ধারণা করা হয়, সন্ধ্যার পর ত্বকী শ্রমকল্যান অফিসের কাছাকাছি অবস্থান করছিলো তখন ত্বকীর মহল্লার নিকট প্রতিবেশী অপু ত্বকীর অবস্থান হত্যাকারীদের জানায়। এরপর কালাম সিকদার, রাজীব, মামুন, লিটন আজমেরী ওসমানের এক্স ফিল্ডার গাড়ি নিয়ে তাকে অপহরন করে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে আসে।
ঐদিন রাত সাড়ে ৯ টায় ত্বকীকে উইনার ফ্যাশনে নিয়ে আসা হয় এবং হাত পা বেঁধে আজমেরী ওসমানের কক্ষে ফেলে রাখা হয়। রাত ১১টার পরে আজমেরী ওসমান, কালাম সিকদার, রাজীব, লিটন মামুন সহ সবাই মিলে ত্বকীকে হত্যা করে।
রাত ১টা থেকে দেড়টার ভেতর ত্বকীর লাশ বস্তাবন্দি করে আজমেরী ওসমানের এক্স ফিল্ডার গাড়ির ডালায় তোলা হয় এবং আজমেরী ওসমানের নির্দেশে কুমুদিনী খালে ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে মোতাবেক রাজীব, কালাম সিকদার, ভ্রমর, মামুন, লিটন, জামশেদ গাড়ি নিয়ে চারারগোপে যায়। গাড়ি সহ লাশ নিয়ে চারারগোপে অবস্থিত একটি তেলের দোকানের পাশে ১৬ তলা বিল্ডিং এর সামনে গাড়ি রাখা হয়। অতঃপর লাশ নামিয়ে নৌকায় তুলে কুমুদিনী জোড়া খালে গিয়ে বস্তা থেকে লাশ বাহির করে খালের পানিতে ফেলে দেয়া হয়।
আনুমানিক ২০ মিনিটের মধ্যে লাশ ফেলে ভোরের দিকে উইনার ফ্যাশনে এসে পুনরায় আজমেরী ওসমানের সাথে সাক্ষাৎ করে। আজমেরী ওসমান সবাইকে বিরিয়ানী খাইয়ে আপ্যায়ন করে এবং যে যার মত চলে যায়। ৮ মার্চ ২০১৩ তারিখে ত্বকীর লাশ উদ্ধার হবার পর নারায়ণগঞ্জ সহ সারাদেশে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ত্বকী একজন মেধাবী ছাত্র। সে কোন রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিল না। হত্যাকান্ডের পর নারায়ণগঞ্জ শহরের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। মামলাটি প্রথমে সদর থানা পুলিশ তদন্ত করে। পরবর্তীতে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার র্যাব ১১ কে হস্তান্তর করা হয়।
তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি জেলা শাখার আহবায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বির দুই ছেলের মধ্যে ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। সে শহরের চাষাঢ়ায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবিসি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র ছিল। ২০১৩ সালের ৭মার্চ (নিখোঁজের একদিন পর ও লাশ উদ্ধারের একদিন আগে) এ লেভেল পরীক্ষার রেজাল্টে পদার্থবিজ্ঞানে ৩০০ নম্বরের মধ্যে ২৯৭ পেয়েছিল যা সারাদেশে সর্বোচ্চ। এছাড় সে ও লেভেল পরীক্ষাতেও সে পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষাতে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিল।
২০১৩ সালে সাত খুনের ঘটনায় ইতোমধ্যে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চাকরিচ্যুত লে. কর্ণেল তারেক সাঈদ ছিলেন তখন র্যাব-১১ এর সিও। চাকুরীচ্যুত মেজর আরিফ হোসেন ছিলেন অধিনায়ক ও কমাণ্ডার এম এম রানা ছিলেন শহরের পুরাতন কোর্ট এলাকাতে অবস্থিত র্যাব-১১ এর স্পেশাল ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানীর ক্যাম্প ইনচার্জ। ২০১৩ সালের ৭ আগস্ট ওই সময়ের র্যাব কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, এম এম রানা সহ র্যাবের কয়েকজন শহরের আল্লামা ইকবাল রোডে আজমেরী ওসমানের মালিকানাধীন ‘উইনার ফ্যাশন’ এ অভিযান চালিয়ে রক্তমাখা জিন্স প্যান্ট, পিস্তলের বাট ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদিসহ বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করে। ‘সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের’ দেওয়া ৬টি টর্চার সেলের মধ্যে এ উইনার ফ্যাশনকে অন্যতম টর্চার সেল ও এখানে ত্বকীকে নির্যাতন শেষে হত্যার অভিযোগও করেছিলেন রফিউর রাব্বি।
২০১৪ সালের ৬ মার্চ ত্বকী হত্যার প্রথম বছর পূর্তির একদিন আগে ওই সময়ের র্যাবের সহকারী মহাপরিচালক (এডিজি) জিয়াউল আহসান ঢাকাতে সংবাদ সম্মেলনে করে জানান, তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ওসমান পরিবারের সদস্য আজমেরী ওসমান সহ ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ত্বকী হত্যায় অংশ নেওয়া বাকি ১০জন হলেন রাজীব, কালাম শিকদার, মামুন, অপু, কাজল, শিপন, জামশেদ হোসেন, ইউসুফ হোসেন ওরফে লিটন, সুলতান শওকত ওরফে ভ্রমর ও তায়েবউদ্দিন ওরফে জ্যাকি।
তখন ওই র্যাব কর্মকর্তা জানান, এই হত্যাকাণ্ডে শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান, দুই সহযোগী সালেহ রহমান ওরফে সীমান্ত ও রিফাত বিন ওসমানের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।
অবগতি পত্রে ৭ জনহত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় কোন আসামীর নাম থাকলেও পরে পুলিশ সুপারকে দেওয়া অবগতি পত্রে যে ৭জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল তাদের সকলেই এখন পলাতক। ২০২৪ এর ৫ আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনের তোপের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর পরেই পালিয়ে যান ত্বকী হত্যার ঘাতকেরাও।
তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি জেলা শাখার আহবায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বির ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী শহরের চাষাঢ়ায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবিসি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র ছিল। ২০১৩ সালের ৭মার্চ (নিখোঁজের একদিন পর ও লাশ উদ্ধারের একদিন আগে) এ লেভেল পরীক্ষার রেজাল্টে পদার্থবিজ্ঞানে ৩০০ নম্বরের মধ্যে ২৯৭ পেয়েছিল যা সারাদেশে সর্বোচ্চ। এছাড় সে ও লেভেল পরীক্ষাতেও সে পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষাতে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিল। ২০১৩ সালের ৬মার্চ বিকেলে ত্বকী শহরের শায়েস্তা খান সড়কের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিল। ৮ মার্চ সকালে শহরের চারারগোপে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ত্বকীর লাশ পাওয়ার রাতেই নারায়ণগঞ্জ মডেল সদর মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় রাব্বি উল্লেখ করেন, আমার অতীত ও বর্তমান বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে আমার ভূমিকার কারণে কোন কোন মহল এ হতাকান্ডটি ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৮মার্চ রাতে রাব্বি হত্যাকান্ডের ঘটনায় শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম ভূইয়া পারভেজ, জেলা ছাত্রলীগ সহ সভাপতি রাজীব দাস, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সালেহ রহমান সীমান্ত ও রিফাত বিন ওসমান এর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারের কাছে অবগতি পত্র দেয়।



































আপনার মতামত লিখুন :