আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, এবারের লড়াই কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, বরং সোনারগাঁকে উন্নয়নের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার লড়াই। অনেকে হয়তো কেবল মার্কা দেখে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, মার্কা আপনাকে উন্নয়ন দেবে না, উন্নয়ন দেবে যোগ্য মানুষ। তাই কারো কথায় প্রভাবিত না হয়ে মাথা উঁচু করে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিদ্ধিরগঞ্জের তুলনায় সোনারগাঁর অনুন্নয়ন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমার এলাকা সিদ্ধিরগঞ্জ আজ অনেক উন্নত, সেখানে রাস্তাঘাট ও স্কুল-কলেজের অভাব নেই। কিন্তু সোনারগাঁর চিত্র ভিন্ন। এখানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমি আপনাদের কাছে নেতা হয়ে নয়, ‘কামলা’ হয়ে কাজ করার সুযোগ চাই। সুযোগ পেলে আমি কথা দিচ্ছি, এই অবহেলিত সোনারগাঁর চেহারা বদলে দেব।
তিনি অতীতে তাঁর টানা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার নজির টেনে বলেন, কাজ করেছি বলেই মানুষ বারবার আমাকে ভরসা করেছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর শিক্ষার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি ভোটারদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।
বলেন, “আপনারা হয়তো অনেকে নিজে পড়াশোনা করার সুযোগ পাননি, কিন্তু নিজের সন্তানকে ঠিকই স্কুলে পাঠাচ্ছেন। কারণ আপনারা শিক্ষার মর্যাদা বোঝেন। একজন সংসদ সদস্যের প্রধান কাজ হলো পার্লামেন্টে গিয়ে আইন প্রণয়ন করা এবং মানুষের জন্য বাজেট পাস করানো। যে প্রার্থী ঠিকমতো পড়াশোনাই জানে না, সে কীভাবে আইন বুঝবে বা আপনাদের জন্য বরাদ্দ আনবে?
তিনি আরও যোগ করেন, “আপনারা আপনাদের মূল্যবান মাথা কারো কাছে বিক্রি করবেন না। যারা আপনাদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, তাদের প্রত্যাখ্যান করুন। ধানের শীষ বা অন্য কোনো মার্কা অন্ধভাবে না দেখে দেখুন কে আপনার এলাকার উন্নয়ন করতে পারবে।”
কাঁচপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের এই জনসভায় স্থানীয় মুরব্বি, যুবক ও বিপুল সংখ্যক নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গিয়াস উদ্দিনের নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


































আপনার মতামত লিখুন :