নারায়ণগঞ্জে চব্বিশে ছাত্র জনতার আন্দোলনে চারজনের নাম উল্লেখ করে তাদের ‘নির্দেশদাতা’ উল্লেখ করেছিলেন তখনকার জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল।
ওই সময়ে তিনি এক ব্রিফিংয়ে বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে বিভিন্ন দুস্কৃতিকারীরা নাশকারীরা বিভিন্নভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই এবং ১৯ জুলাই বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি স্থাপনা পুড়িয়েছে। আমরা প্রথমদিন থেকেই তাদের প্রতিরোধ করে আসছি। এরই মধ্যে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৭ জন স্বীকার করেছে তারা ধ্বংসযজ্ঞের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো। সেই সাথে তারা স্বীকার করেছে ফতুল্লা থানা জামায়াতের আমীর মাসুদ মেম্বার, ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা মামুন নির্দেশে এই কাজ করেছে। তাদের উপরে নির্দেশদাতা হলেন তখনকার জেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল আলম সজল। তারা প্রত্যেকেই ঘটনাস্থলে প্রত্যক্ষভাবে উপস্থিত থেকে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।
জামায়াত-শিবির এবং বিএনপি পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেসব দুস্কৃতিকারী বিএনপি এবং জামায়াতের নেতাকর্মীদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করবো। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ধ্বংসযজ্ঞের সাথে অন্তুর্ভূক্ত ছিলো না। তাদেরকে ব্যবহার করে ধ্বংসযজ্ঞ করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বারবার বলেছে এই আন্দোলনের সম্পৃক্ত না। এটা স্পষ্ট জামায়াত-শিবির এবং বিএনপি পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তারা কিছু লোক হায়ার করে নিয়ে এসেছে। টাকা দিয়ে পেইড করে প্রণোদনা দিয়ে লোক এনেছে ধ্বংসযজ্ঞের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য।
কোটা বাতিলের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দুস্কৃতিকারী ও নাশকতারীরা নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া মোড়, ২নং রেলগেইট, সদর থানা, পিবিআই অফিস, পাসপোর্ট অফিস, নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়াও এসবি গার্মেন্টস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ লাইন, বিজিবি ক্যাম্প, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিটি কর্পোরেশন, হাইওয়ে পুলিশ বক্স, ধামগড় ফাঁড়ি ও খ সার্কেল অফিস ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।




































আপনার মতামত লিখুন :