সামান্য বৃষ্টিতে নগরীর প্রধান সড়ক তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য নগরীর বাসিন্দাদের বেম পরিচিত। সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কে সৃষ্টি হতো জলযট। পথচারীদের পোহাতে হতো দুর্ভোগ। দীর্ঘ বছরের চিরচেনা এই দৃশ্য যেন এক পাল্টে গিয়েছে। দীর্ঘ বছর যাবত জলাবদ্ধতার ভোগান্তি এবং নগরীতে গভীর ড্রেন নির্মাণ কাজের দুর্ভোগ শেষে অবশেষে সুফল পেতে শুরু করেছে নগরবাসী। আগে যেখানে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো এবং সেই পানি সরে যেতে দীর্ঘ সময় লাগতো। সেখানে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের কোথাও পানি জমতে দেখা যায়।
নাসিকের নানা ব্যর্থতা থাকলেও ড্রেন নির্মাণের এই কাজটিকে সফলতা হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষ। যদি ড্রেন নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে ফলে সাধারণ মানুষকে উন্নয়ন কর্মকান্ডের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কিন্তু সব শেষে সুফল দেখতে পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ।
নগরীর ২নং রেলগেট হতে চাষাঢ়া পর্যন্ত সড়কে ঘুরে কোথাও পানি জমে থাকার দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়নি।
পথচারী আশরাফুল ইসলাম জানান, একটা সময় সামান্য বৃষ্টি হলেই এই বঙ্গবন্ধু সড়ক দিয়ে হাঁটা যেত না। পাশাপাশি পানি জমে থাকার কারণে রিকশাওয়লারাও যাত্রী নিতে চাইতো না। নিলেও অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করতে কিন্তু এবারে ব্যতিক্রম দেখলাম। গত তিনদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে এবং রাত থেকে টানা বৃষ্টি বিশেষ করে সকালে যে পরিমাণ মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে এতে করে আগের চিত্র মোতাবেক বঙ্গবন্ধু সড়কে হাঁটু পানি জমে যাওয়ার কথা, কিন্তু কোথাও কোন পানি জমেনি। রাস্তা দিয়ে হাটতে যেমন ভাল লাগছে তেমনি দেখতেও বেশ ভাল লাগছে।
এদিকে শহরের মহল্লা গুলোতে যেসব এলাকায় ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে সেই সকল এলাকায় কিছুটা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গলাচিপা এলাকায় চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজের জন্য সেখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যদি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ দ্রুত পানি সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন তবুও ওই এলাকাবাসীর মাঝে কিছুটা ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ড্রেন নির্মাণ কাজের ধীর গতির জন্যই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।
এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১ বছর হতে চলছে গলাচিপা মোড় হতে মাসদাইর পর্যন্ত গভীর ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু মাত্র এক থেকে দেড় কিলোমিটার এই সড়কের ড্রেন নির্মাণের কাজ ১ বছরেও শেষ করতে পারেনি। নির্মাণকাজ এতোটাই ধীরগতিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।



































আপনার মতামত লিখুন :