নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, এই নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস রয়েছে যারা রাজনীতির ক্ষমতা থাকে তারা এখানে মালিক সেজে যায়। আবার ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গেলে, দেশ ছেড়ে বাহিরে চলে যায়। এই যে সুজন পাখিরা সময় মত আসে আবার সময় মত চলে যায়। কিন্তু আমাদের এই যে সংগ্রামী সাথি বন্ধুরা রাজপথে ছিলেন বর্তমানে রাজপথে রয়েছেন।
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে শহরের ডিআইটি এলাকায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচীর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মনির হোসেন খান, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদ এবং মহানগর ছাত্রদল নেতা আজীজুল ইসলাম রাজীবসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
আবুল কালাম আরও বলেন, রাজাকার দোসররা সংসদের ভিতরে ও বাহিরে তাদের চরিত্র মুখোশ উন্মোচন ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছে। মাত্র ৬ মাসের সরকার এখনই তারা বুঝতে চাচ্ছে, তারা নাকি এক দফা দাবি আসবে। যেখানে দফারই কোন সুযোগ হয়নি সেখানে তারা এক দফা দাবি করে। তাদের এই যে হুংকার কিসের বলয়ে আওয়াজ দিচ্ছে তারা। কোথায় ছিলো ৭১ এর স্বাধীনতা পরের থেকে। আজকে সংসদের গিয়ে এত বড় কথা বলার দুঃসাহস দেখায়। কোন দোসরের কারণে তারা এত সাহস পায়।
এমপি আরো বলেন, বিগত নির্বাচনে আমাদের ঘরে দ্বিমুখী ছিলো। একটা অংশ ছিলো তারা নামধারী ছিলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে দৃষ্টি থাকে, কিন্তু আমরা মাত্র নগণ্য ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তাহলে মানে বিএনপি কি ছোট দল। এগুলো বলার কারণ হলো আগামী উপজেলা সিটি কর্পোরেশন ও ইউপি নির্বাচনে এই খেলাটা আবারো খেলতে চাইবে। এগুলো নিয়ে আমাদের সজাগ হতে হবে। এখনই আপনাদের দোসর চিনতে হবে, কারা আপনার আপন আর কারা আপনার পক্ষে থাকবে না। দল আর সংগঠন যদি ঠিক না থাকে তাহলে নির্বাচন কিন্তু সহজ হবে না। গত ১৭ বছর যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো ছয় মাসে সমাধান সম্ভব হয়নি।



































আপনার মতামত লিখুন :