নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজীপাড়া এলাকার মহিলা মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় চিকিৎসাধীন আরো মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম লামিয়া (১৩)। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হলো।
লামিয়ার শরীরের ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন রোগী তাদের ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য এসেছিল। ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
১১ বছরের আতিয়ার ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সে মারা যায়।
এরপর গুরুতর দগ্ধ ১৪ বছর বয়সী জিদনিকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন ছিল। বুধবার সকাল ৬ টায় সেও মারা গেছেন।
তুলনামূলক কম দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসায় ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজন আবাসিক ছাত্রী দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ছাত্রীরা ছাদে খেলাধুলা করছিল এবং তাদের কাছে পাতাযুক্ত আখ ছিল। খেলার ছলে ওই আখ হাই-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বিকট শব্দে স্পার্ক হয়ে আগুন ধরে যায় এবং ছাত্রীরা দগ্ধ হয়।




































আপনার মতামত লিখুন :