নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দ রাজঘাট থেকে মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার পুবলীগ নেতা সোহেলকে গ্রেফতার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
রোববার ১৫ মার্চ দুপুরে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গুলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, সোহেল মেম্বার একজন এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই মামলা রয়েছে এবং অন্যান্য মামলার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং মামলার তদন্তে তার গ্রেফতার অপরিহার্য ছিল।
স্থানীয়রা জানায়, সোহেল মেম্বার এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সাহাদাত হোসেন সাজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন, তিনি ছাত্র ও সাধারণ জনতার ওপর হামলার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, মুছাপুর ইউনিয়নের মালিবাগ চক এলাকায় ফসলি জমি কেটে ইটভাটার জন্য মাটি কাটার সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের মধ্যে অন্যতম।
একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, সোহেল মেম্বারের কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভয় ও উত্তেজনার পরিবেশ বিরাজ করত। কিছু অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ব্যবসা ও ঠিকাদারি ক্ষেত্রে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সোহেল মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলার সম্ভাবনা রয়েছে, যা যাচাইয়ের পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট বিএনপি নামধারী কয়েকজন ব্যক্তি থানায় এসে তাকে মুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পুলিশ তাদের চেষ্টা রুখে দেয় এবং বিষয়টি তদারকির আওতায় রেখেছে।




































আপনার মতামত লিখুন :