হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজার মহালয়া নারায়ণগঞ্জে নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। মহালয়ার তিথি থেকে শুরু হয় দেবী দূর্গার আরাধনা।
শনিবার সূর্যদয়ের পর নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জ শ্রী শ্রী বলদেব জিউর আখড়া ও শিব মন্দির সহ বেশ কয়েকটি মন্দিরে মহালয়ার আয়োজন করা হয়।
ভোরে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতা। পরে ভক্তদের উলু ধ্বনি, চণ্ডীপাঠ, বিশেষ পূজা-অর্চনা ও সাংস্কৃতিক নৃত্য-গানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মহালয়া। মহালয়ার অনুষ্ঠান দেখতে শত শত ভক্তরা এসে মন্দিরে ভীড় জমায়। দেবী দূর্গার অসুর বধ নাচ ও গানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে ফুটিয়ে তোলা হয়। যা দেখে ভক্তরা আন্দদিত ও মুগ্ধ হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে ব্যতিক্রমধর্মী মহালয়া আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তারা এবং এই অনুষ্ঠানে যাতে প্রতিবারই হয় সেই প্রত্যাশা করেন। দেশ যাতে মুক্ত থাকে দেবী দূর্গার কাছে এই প্রার্থনাই করেন ভক্তরা।
নিতাইগঞ্জ শ্রী শ্রী বলদেব জিউর আখড়া ও শিব মন্দিরের সভাপতি জয় কে রায় চৌধুরী বাপ্পী বলেন, মহালয়া দেশপ্রেম সম্প্রীতির বার্তা বয়ে আনে। অসাম্প্রদায়িক সৌহার্দপূর্ণ অবস্থানের বার্তা দেয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, মহালয়া সম্প্রীতির বন্ধনের বার্তা বয়ে আনে। নারায়ণগঞ্জ সব সময় অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর। অনেক পূর্ব থেকেই এটা হয়ে আসছে।
১০ অক্টোবর মহালয়ার শুরুর মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনে পূজোর ভাব চলে আসছে। দেবী দূর্গা এবার ঘোড়াশ চড়ে আগমন করেছেন এবং প্রস্থানও করবেন নৌকায় চড়ে। এবার পূজায় প্রার্থনা থাকবে পৃথিবী ও দেশ থাকুক শান্তিময়। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীতে দেবীর দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে পাঁচদিনের শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। ২১ অক্টোবর বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এই বর্ণিল উৎসব।





































আপনার মতামত লিখুন :