News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সেলিম ওসমান ও হাতেমকে তুলোধুনো এমপি আল আমিনের


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম সেলিম ওসমান ও হাতেমকে তুলোধুনো এমপি আল আমিনের

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, ‘আমাদের বলা হয় প্রশাসন আসামীদের দেখে না। এটা ভুল, আসামীরা চোখের সামনে আছে। কারা ওসমানদের সাথে ছিলো আমরা কি তাদের চিনি না? ওসমানদের ক্যাশিয়ার কে? শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়িয়ে জুলাই অভ্যুত্থানকে তান্ডব বলেছে, সেই হাতেম ব্যবসায়ী নেতা হওয়ায় তার নাম বলা যাবে না? অথচ হাতেমের বিরুদ্ধেও মামলা আছে। আমি কোন দলের বিরুদ্ধে বা বর্গের বিরুদ্ধে না। ব্যবসায়ীদের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নেই। নারায়ণগঞ্জকে দেশে বিদেশে সম্মানিত করেছে ব্যবসায়ীরা। তার মানে তো এই না যে কোন ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের সাথে আঁতাত করে নাই। সেলিম ওসমানও তো ব্যবসায়ী। সে অবশ্যই সন্ত্রাসী এবং ফ্যাসিস্ট। যখন আমাদের নারায়ণগঞ্জে একের পর এক গুলি করে তরুনদের হত্যা করা হচ্ছে। তখন শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছে ‘যারা তান্ডব করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন’ সে এখন ব্যবসায়ী নেতা বলে তাকে ছাড় দিতে হবে?’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।  

আল আমিন বলেছে, ‘মামলা বাণিজ্যের কথা বলে আসামীদের ধরা হচ্ছে না। এমন একটা অবস্থা যেন নারায়ণগঞ্জে কিছুই ঘটেনি জুলাই অভ্যুত্থানে। আমাদের চোখের সামনে আসামীরা ঘুরছে। পুলিশের সামনে একটি জটিলতা আছে যে এই মামলাগুলোতে নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে আপনারা তদন্ত করেন। কিন্তু সবাই তো নিরীহ না, জুলাই অভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক গোলাগুলি এবং হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে। নৌকার চেয়ারম্যান এবং যারা নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। একেক জনের নামে ৫/৭ টা করে হত্যা মামলা থাকার পরেও একদিনও তাদের জেল খাটতে হয়নি। এখনও জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে। এই মামলার আসামী হিসেবে তাদের অন্তত জামিন নিতে হবে, কোর্টে আত্মসমর্পন করতে হবে।’
 
পুলিশে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান এখনও ঢাকায় গিয়ে আওয়ামী লীগের মিছিল করে। তাদেরকে আবার ফোন দিয়ে ছুটিয়ে আনা হয়। অথচ আমরা কাশিপুরে (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ইউনিয়ন) ৫ জন মিছিল করলে পুলিশ ধাওয়া দিত। পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর পিটিয়ে আমার হাত ভাঙছে। যুবদলের কর্মী শাওন গুলিতে শহিদ হয়েছে। আর এখন ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে আওয়ামী লীগ মিছিল করে অথচ গোয়েন্দারা কিছুই জানে না। অথচ আমাদের সময় তো ঠিকই জানতেন আমরা কোথায় মিছিল করবো। অর্থ্যাৎ এখানে কোন গাফলতি আছে কিনা এটা দেখা দরকার।