নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে আলোচিত কুতুবপুর। এই আসনে বিগত সময়ে ছাত্রনেতারা এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ভোটার হিসেবে গণনা করছে প্রার্থীরা। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতারা তৎপর শুরু করেছে। এই আসনে বিএনপি একক প্রার্থী না দেয়ায় ভোট ব্যাংকে নতুন মেরুকরণ দেখা দিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে নির্বাচন ঘিরে সবার আগ্রহ বেড়েই চলেছে। এখানে বিএনপির দলীয় প্রার্থী না থাকলেও রয়েছে জোটের প্রার্থী অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপি সহ ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী রয়েছে, তাছাড়া রয়েছে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী।
সবাই ভোট ব্যাংক হিসাবে কুতুবপুরকে জয় পরাজয়ের মূল সেন্টার হিসাবেই হিসাব কষে যাচ্ছেন। কিন্তু যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা সবাই নতুন মুখ, তরুণদের সাথে তারা সক্ষতা গড়ে তুলতে পারেন নাই। তাই এখানে সাবেক ছাত্রনেতারাই ভোট ব্যাংক দখলে রেখেছে, বিগত সময় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাজে ছাত্রনেতাদের কার্যক্রম রয়েছে চোখে পড়ার মতো। ক্লিন ইমেজ খ্যাত এই সব ছাত্রনেতারা যে প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিবেন তিনি জয়ী হবেন বলেই তরুণেরা বিশ্বাস অনড়। তাই এই সাবেক ছাত্রনেতাদের অবস্থানের কারনে বদলে যেতে পারে ভোটের সমীকরণ।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক এক নম্বর সদস্য ফেরদৌস রাজু মুঠোফোনে জানান, আমরা আমাদের নারায়ণগঞ্জ-৪ এর জন্য একজন যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নিবো। এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং দল থেকে বার্তাও পায়নি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি আর এইচ খান জেনি মুঠোফোনে বলেন, এই নির্বাচনে যে প্রার্থী সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ যাদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে না তাদের পাশেই থেকে এই নির্বাচনে কাজ করবো। এখনো প্রার্থীদের পাশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দেখা যাচ্ছে। তাদেরকে আমরা অবশ্যই বয়কট করবো ভোটের মাধ্যমে।
একই সুরে সহমত প্রকাশ করেছেন জেলা সাবেক সহ সভাপতি ছাত্রদল ইমরান হোসেন হিমু, সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান মোল্লা, সাইদ রেজা, হুমায়ুন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল খান স্বপন, আব্দুর রহমান পিয়েল, হাকীম মোহাম্মদ রাজীব ও ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য নজরুল ইসলাম তুরান।
অন্যদিকে বিএনপি হাইকমান্ড থেকে নতুন ভোটারদের অগ্রগতি দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ফতুল্লার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন কুতুবপুরে কেউ এখনো নজর দেয়নি। এতে নতুনদের ভোট ব্যাংকে এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে জোটের প্রার্থীদের জয়ে বড় ধরণে ধাক্কা হতে পারে সাবেক ছাত্রনেতারা এমন ধারণা করা হচ্ছে।

































আপনার মতামত লিখুন :