নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার চাঁদমারীতে স্যাটেলাইট কেবল ব্যবসায়ী নাসির হত্যায় যে দুইজনকে প্রবল সন্দেহ করছে পরিবার সেই দুই আসামীকে খুঁজছে পুলিশ। এ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা গেলে হত্যার মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকান্ডের পর শরীফকে দৌঁড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে সিসিটিভির ফুটেজে। আর নাসিরের পার্টনার আবদুস সাত্তার বাবুকে দুষছেন নিহতের স্ত্রী। অভিযোগ ব্যবসায়ীক পার্টনারশীপের বিরোধকে কেন্দ্র করে তিনিও এ হত্যাকান্ডে জড়িত।
এদিকে এ দুই পরিবারের পুরুষ সদস্যরাও গা ঢাকা দিয়েছে। এলাকাতে তারা কেউ নাই। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে তাদের খুঁজতে শুরু করেছে।
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকান্ডের পর দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া কালো পাঞ্জাবী পড়িত শরিফ ছিলেন। সে চারটি হত্যা মামলার আসামী।
নিহতের স্ত্রী সায়মা আহম্মেদ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ফ্রেন্ডস ক্যাবল নেটওয়ার্কস নামের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অংশীদার ছিলেন আসামি আব্দুস সাত্তার বাবু। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিহত নাছিরকে ব্যবসার কোনো হিসাব দিচ্ছিলেন না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাত্তার বাবু নিহত নাছিরের ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসাটি এককভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
এছাড়া মামলায় বলা হয়, আসামি শরিফ, রুমি সহ অন্যান্য কয়েকজন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। নিহত নাছিরের কারণে তারা এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছিল না। কয়েক মাস আগে ডিশ ক্যাবল ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আব্দুস সাত্তার বাবুর সঙ্গে নিহত নাছিরের বাকবিত-া হয়। তখন সাত্তার বাবু ও তার ছেলে আবির নাছিরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিশ ক্যাবল ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনায় বাধার জেরে সাত্তার বাবু, শরিফসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে একত্রিত হয়ে হত্যাকা- সংঘটিত করে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে সজিব, শান্ত, আরিফ ও নাঈম সহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।



































আপনার মতামত লিখুন :