নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ও বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ওই দুই ওয়ার্ডে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ও বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচালিত বিশেষ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন সাখাওয়াত।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং ফগার ও স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নাসিক প্রশাসক।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে আজ থেকে এই দুই ওয়ার্ডে বিশেষ ক্রাশ অভিযান শুরু হলো।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, নাগরিকদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়ে নাসিক প্রশাসক বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার মশককর্মীদের বিভিন্ন গলি ও এলাকায় ভাগ করে দায়িত্ব দিতে হবে। ওয়ার্ডের সুপারভাইজার ও সচিবদের সমন্বয়ে প্রতিটি এলাকায় নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট দুই ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে ফগার ও স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুব উল আলম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফা, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল খান বাবু, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সচিব ও সুপারভাইজার এবং সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কর্মীরা।


























-20260912144331.jpg)






আপনার মতামত লিখুন :