News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বন্দরে চাচা-ভাতিজার রাজনীতি শুরু


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম বন্দরে চাচা-ভাতিজার রাজনীতি শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মনোনয়ন যুদ্ধে যখন তৎপর প্রার্থীরা তখন গোপন লড়াই চলছিলো বন্দরে বিএনপির রাজনীতিতে। প্রথম পর্যায়ে ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামান মাসুদ মনোনীত হলেও পরবর্তিতে আবুল কালামকে মনোনয়ন দিলে পুরো পরিস্থিতি পাল্টে যায়। যার কারণে বিগত সময়ে চাচা-ভাতিজার মধ্যে এক ধরনের লড়াই শুরু হয়।

একদিকে চারবারের এমপি নির্বাচিত করার লক্ষ্যে বাবা আবুল কালামকে নিয়ে ছুটেন ছেলে আবুল কাউসার আশা। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও দলের বিরোধী নেতাদের পরামর্শে আবুল কালামকে হারাতে প্রস্তুতি হন আরেক পক্ষ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবুল কালাম পরাজিত ছক যখন পুরো কষে ফেলা হয় তখনই ফলাফলে ছেলে আবুল কাউসার আশা চমকে পুরো উল্টো পায় পরিস্থিতি। যার ফলে দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের বিরোধীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহবান জানান আবুল কালাম এমপি।

এর মধ্যে মুকুল বলেন, আমি এক কালো হাতের ছায়াতলে মধ্যে ছিলাম। যাকে আমি পিতৃতুল্য দেখতাম পীরের মত মানতাম। তিনি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলো। তার কারণে আমি অনেক কিছু বঞ্চিত হয়ে ছিলাম। আমি মুকুলকে তিনি ক্ষতি করতে পারবেন।

অন্যদিকে যাকে নিয়ে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন তার উত্তর দিয়েছেন আবুল কাউসার আশা। তিনি বলেছেন, উনি নাকি সারাটি জীবন এক কালো হাতের ছায়াতলে ছিলেন। এই কালো হাতকে ছিলেন। যিনি বক্তব্য দিয়েছেন তিনি কয়েকদিন পরপরই অনেকে হাতে ছিলেন। এক সময় কালামের সাহেবে হিসেবে ছিলেন আরেক সময় সেলিম ওসমানের লোকও উনি ছিলেন। কালো হাত কাকে বলেছে এটা যদি বলতেন তাহলে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে এবার আবুল কাউসার আশাকে নিজের চেহারা আয়নায় দেখতে বললেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুল। তিনি বলেন, আবুল কাউসার আশাকে নিয়ে আজ আমার কথা বলতে লজ্জা লাগে। একসময় সেলিম ওসমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং তার কাছে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার জন্য সে আমাকে বারবার চাপ দিয়েছে, এমনকি এ বিষয়ে আমাকে অস্থির করে তুলেছিল।

এর আগে আবুল কাউছার আশা বলে ছিলেন, এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম সবসময় বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন। তিনি ইতিমধ্যেই নিহত বুলবুলের পরিবারের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জনির পিতাসহ অন্য নিহতদের পরিবারের পাশেও তিনি অভিভাবক হিসেবে দাঁড়িয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।