News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

নামজারি করতে ১০ শতাংশ জমি ঘুষ দাবি


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম নামজারি করতে ১০ শতাংশ জমি ঘুষ দাবি

দেশে জমির নামজারি করার জন্য সরকারি ভাবে ১১৭০ টাকা নির্ধারণ করা রয়েছে। যার মধ্যে আবেদনের কোর্ট ফি ২০ টাকা,  নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা এবং রেকর্ড সংশোধন ফি ১১০০ টাকা। জমির পরিমাণ যাই হোকনা কেন নামজারি খরচ ১১৭০ টাকাই নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই সাথে বর্তমান সরকারের ভূমিমন্ত্রী কঠোর ভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন জমির নামজারির ক্ষেত্রে ১১৭০ টাকার বেশি কেউ নিতে পারবেন না। তবে নামজারি করে দিতে ঘুষ হিসেবে ১০ শতাংশ জমি দেওয়ার দাবি করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র দেবনাথ।

সম্প্রতি তিনি জনৈক সাজিদ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মৌজায় ৭৩ শতাংশ ভিটি জমির নামজারি করে দিতে ওই জমি থেকে ১০ শতাংশ দাবি করেছেন। পরবর্তীতে ৫ কাঠা অর্থাৎ সাড়ে ৭ শতাংশ জমি ওই দুলাল চন্দ্র দেবনাথকে দেওয়া হবে বলে নামজারি কাজ করে দিতে রাজি হয় দুলাল চন্দ্র দেবনাথ।

সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী শিমরাইল মৌজায় ভিটি জমির সরকারি মূল্য ৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা শতাংশ। কিন্তু বাস্তবে বেসরকারিভাবে ওই জমি বিক্রি কেনা বেচা হয়ে থাকে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা শতাংশ দরে।

দুলাল চন্দ্র দেবনাথের এমন ঘুষ দাবির একটি অডিও ক্লিপ নিউজ নারায়ণগঞ্জ এর হাতে এসেছে। ওই অডিও ক্লিপে দুলাল চন্দ্র দেবনাথকে উপর মহলে টাকা খরচ পৌছানোর কথা বলতে শোনা গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে দুলাল চন্দ্র দেবনাথের যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দিয়ে এই প্রতিবেদকদের নাম্বার ব্লক করে দেন। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত হোয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে এ ব্যাপারে দুলাল চন্দ্র দেবনাথের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে সেখানেও তিনি কোন সাড়া দেননি।

বিষয়টি জানতে সিদ্ধিরগঞ্জ এসিল্যান্ডের ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বির্পোট লেখাকালীন সময় মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায় দুলাল চন্দ্র দেবনাথ শহরের খানপুর এলাকায় অবস্থিত সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে অবস্থান করছেন এমন খবর পেয়ে সরেজমিনে ওই কার্যালয়ে গিয়ে দুলাল চন্দ্র দেবনাথের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

অপরদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ এসিল্যান্ডের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।