News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

শুভর বিশস্তরা ছিলো অনিকের গুপ্তচর


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১০:১০ পিএম শুভর বিশস্তরা ছিলো অনিকের গুপ্তচর

১০ পিছ ইয়াবা বিনিময়ে শুভ ওরফে বিল্লালকে ডেকে এনে ছিলেন তার বিশ্বস্ত মো. সোহান। এর আগে শুভ’র সাবলেট সোয়াদ তার স্ত্রীর মোবাইলের মাধ্যমে আমলাপাড়ায় ডাকা হয়। অনিকের টার্গেট করা স্থানে শুভকে নিয়ে যান মো. সোহান। শুভর বিশস্ত ছিলেন সোয়াদ ও সোয়ান, তারাই ছিলেন অনিকের গুপ্তচর।

জানা গেছে, চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটে মাদক স্পট পরিচালনায় শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল আলোচিত ছিলো। একক ক্ষমতা থাকার জন্য বিশস্তদের মাদক স্পট পরিচালনা করতেন শুভ। যার কারণে মিশনপাড়া স্বপ্ননীড় আবাসিক এলাকায় চতুর্থ তলায় গোপন একটি ফ্ল্যাটে শুভর সাবলেট ছিলেন সোয়াদ ও তার স্ত্রী। হত্যা ঘটনার ২/৩ দিন আগে মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে সোয়াদকে মারধর করেন শুভ। এতে অনিকের কাছে নালিশ করেন এবং এর প্রতিশোধ নেয়ার দাবি জানান।

এর জের ধরে শুভর বিশস্তদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিক হত্যার পরিকল্পনা করেন। এর শুরুতে মাত্র ১০টি ইয়াবার লোভে শুভরই এক সহযোগী সোহানকে ব্যবহার করে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে আমলাপাড়ার সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫), সিয়াম আহমেদ সিজান (২১) ও সোহানকে (২৪) গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাদের কাছ থেকে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত দুইটি মোটরসাইকেল, একটি পিস্তল ও তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

আট দিন পর হত্যায় জড়িত সাকিব সরকার দিমুন ওরফে ধিমনকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি’র তদন্তকারী টিম। গ্রেপ্তারের পর ধিমনকে নিয়ে ঘটনার পরিকল্পনা ও হত্যাকান্ড স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। শুভকে কিভাবে হত্যা করা হয় বিস্তারিত তথ্যের বেশিভাগ অংশ নিয়ে তদন্ত টিম এগুচ্ছে। ইতোমধ্যে হত্যায় উপস্থিতদের নাম পাওয়া গেছে, একই সাথে কারা শুভকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করেছে জানা যায়।

এদিকে হত্যাকান্ডে প্রধান বাস্তবায়নকারী অনিককে নজরধারীতে রেখেছে তদন্তকারী টিম। একই সাথে অন্যতম অহিদ, জয় ও ইমন সহ আরো তিনজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে ডিবি।

উল্লেখ্য, ৫ সেপ্টেম্বর শহরের চাষাঢ়ায় ইয়াবা সহ শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মোহাম্মদ বিল্লালের লাশ উদ্ধার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। লাশের দেহে গুলি ও ছুরিকাঘাতে চিহৃ নিয়ে তদন্তে নামেন পুলিশ ও ডিবি। সিসিটিভি ফুটেজে সূত্রে প্রথমে সিয়াম আহম্মেদ সিজানকে গ্রেপ্তার মাধ্যমে মো. সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন ও তার সহযোগি মো. সোহানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি তদন্ত টিম। এরপর থেকে হত্যার জট খুলতে শুরু করে।