নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের বিরু জমি দখল নিতে গিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মারধরের শিকার দম্পতি মো. কাশেম মোল্লা ও তার স্ত্রী কহিনূর আক্তার পাপিয়া। ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফতুল্লা এলাকায় ইকবাল ও তার সহযোগীরা এমন কান্ড ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কহিনূর আক্তার পাপিয়া ফতুল্লা মডেল থানায় ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই অভিযোগে ৮-১০জন অজ্ঞাতকে রাখা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হামলার শিকার দম্পতি ফতুল্লার ভূইগড় মোজাস্থ মোট ৫১ শতাংশ একটি জমির মধ্যকার ৪শতাংশ জমি ক্রয় করে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে খাজনাসহ যাবতীয় খরচ বহনের মাধ্যমে দখলকৃত অবস্থায় রেখেছেন। ওই জমিতে দীর্ঘ সময় টিনশেড বাড়ি নির্মাণ থাকলেও বিল্ডিং ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে গতবছর টিনের বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়। এরপর থেকে জমিটি ফাঁকা অবস্থায় পড়ে ছিল। আর ফাঁকা থাকার সুযোগে সম্প্রতি ভুক্তভোগীদের হয়রানির লক্ষ্যে অভিযুক্ত ইকবাল ও তার সহযোগীরা রাতের আধারে ভুয়া এবং মিথ্যা মালিকানা দাবির একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন। জোরপূর্বক সাইনবোর্ড স্থাপনের পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার বিচারের ব্যবস্থা করা হলেও অভিযুক্তরা রাজনৈতিক পরিচয়ের মাধ্যমে সমাধানে না এসে বেদখল রাখেন। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে নিজেদের জমি রক্ষার্থে ভুক্তভোগীরা আদালতে ১৪৫ ধরায় পিটিশন মামলা দায়ের করলে ওই মামলার তদন্তের লক্ষ্যে আদালতের নির্দেশনায় বাদী-বিবাদীর উপস্থিতিতে তফসিল অসিসের কর্মকর্তারা ১৬ সেপ্টেম্বর জমি পরিদর্শনে যান। তফসিল অফিসের কর্মকর্তাদের পরিদর্শনকালে অভিযুক্ত ইকবাল ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীদের বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি।
অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব থাকা ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল হক সরকার বলেন, জমিটিতে পূর্বেই ১৪৫ ধরায় মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলার তদন্তের জন্যে তফসিল অফিসের কর্মকর্তারা উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে পরিদর্শনে গেলে এইসময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আমি বিষয়টি তদন্ত করছি।

























-20260912144331.jpg)






আপনার মতামত লিখুন :