নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের ঠিক আগমুহূর্তে একটি বড় চালানের একাংশ লুট করে নিয়েছে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা।
৩০ কেজি গাঁজা মজুদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই চক্রের সদস্যরা ৮ কেজি গাঁজা নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পরবর্তী অভিযানে ২২ কেজি গাঁজাসহ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ১১ টায় আড়াইহাজার থানার বিশনন্দী ইউনিয়নের বিশনন্দী ফেরিঘাট সংলগ্ন ড্যাংপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বিশনন্দী ঢেংপাড়া এলাকায় বড় ধরনের মাদকের চালান মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১১টায় অভিযানে নামে আড়াইহাজার থানা পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই স্থানীয় মাদক কারবারি শুক্কুর আলী ও আল-আমিন ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর ও চক্রের অন্য সদস্যরা দ্রুত মজুদকৃত মাদক সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। মূলত সময়ের অভাবে পুরো চালান সরাতে না পারলেও তারা ৮ কেজি গাঁজা সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবশিষ্ট ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় জহিরুল ইসলাম (৪০) ও কালু হোসেন (৩৭) নামের দুই ব্যক্তিকে। তাদের দুজনের বাড়িই স্থানীয় বিশনন্দী গ্রামে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতরা এবং পলাতক শুক্কুর আলী ও আল-আমিন একটি সুসংগঠিত মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বড় বড় চালান এনে আড়াইহাজারের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। সোমবার রাতেও তারা বড় একটি চালানের লেনদেনের অপেক্ষায় ছিল।
আড়াইহাজার থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, ওই স্থানে প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা মজুদ থাকার তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। তবে অভিযান শুরুর আগেই মাদক ব্যবসায়ীরা ৮ কেজি গাঁজা সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়।







































আপনার মতামত লিখুন :