News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

সিরাজীর বাতাসে আলোচনায় হাতপাখা


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম সিরাজীর বাতাসে আলোচনায় হাতপাখা

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ফতুল্লার একটি বড় অংশে রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক। চরমোনাই পীরের এ দলের সমর্থকদের একটি বড় অংশ কুতুবপুর, কাশীপুর ও ফতুল্লা ইউনিয়নে বসবাস করেন। ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ভোটে এ ভোটাররা বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেন। ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মতে, তাদের রিজার্ভ ভোট ঠিকমত বাক্সে পড়লে বাজিমাত দেখাতে পারেন হাতপাখা।

নতুন সীমানায় সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন- ফতুল্লা, কুতুবপুর, বক্তাবলী, কাশীপুর, এনায়েতনগর, গোগনগর ও আলীরটেক নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭০ হাজার ১৭ জন ও নারী ২ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪ জন। এছাড়া ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছেন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণারও আগে থেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নিয়মিত গণসংযোগ করে আসছিলেন মুফতি ইসমাইল সিরাজী। তিনি ফতুল্লার ইউনিয়নের পাড়া মহল্লা, অলিগলি চষে বেড়িয়েছেন। সবখানে হাতপাখার বাতাসে সজাগ করেছেন।

বক্তব্য দিতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, চাঁদাবাজদের রুখে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। অবহেলিত বক্তাবলীতে সেতু নির্মাণের কথা বলেন।

স্থানীয়রা জানান, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেই হাতপাখার অবস্থানের বিষয়টি জানান দেওয়া হয়। তখন সদর উপজেলার এনায়েতনগর ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতিকের দুই প্রার্থীকে বসিয়ে দেয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের লোকজন অস্ত্র ঠেকিয়ে কাশীপুর ও ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারণ তখন শামীম ওসমানের ধারণা ছিল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা থাকলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হেরে যাবে। সে কারণেই ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয়রা জানান, ফতুল্লায় এবার বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে জমিয়তের মনির হোসাইন কাসেমীর পক্ষে বিএনপির একটি অংশ মাঠে নেমেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের পক্ষেও আছে বিএনপির একটি গ্রুপ। অপর স্বতন্ত্র শাহ আলমের জন্য কাজ করছেন অনেকেই। রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী ও এনসিপির আব্দুল্লাহ আল আমিনও আছেন আলোচনাতে। এসব প্রার্থীদের মধ্যে ভোট প্রচুর ভাগ হবে। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনের ভোট থাকবে নীরব। তাদের ভোট হাতপাখায় পড়লে বিজয়ী অস্বাভাবিক হবে না।