নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাময়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, মাওলানা বশির আহমেদ একজন প্রধান শিক্ষক। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ৮ নং ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে রয়েছেন। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি নির্বাচন সরঞ্জাম বুঝিয়ে নেয়া সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করছিলেন। এসময় বাহির থেকে প্রচার করা হয় সিল মারছে। যা একেবারেই গুজব।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, প্রিজাইডিং অফিসার যদি তার কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন না করতে পারেন; তাহলে নির্বাচন করে লাভ কি? যদি কেউ অবৈধ কাজ করে থাকে তাহলে তার বিচার হওয়া উচিত। এতে আমাদের কোনো রকমের আপত্তি নেই। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি মব সৃষ্টি করে উত্তেজনা তৈরি করে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন করা হয় তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না।
আমি এই অপপ্রচারের নিন্দা জানাই। সেই সাথে সকলের প্রতি আহ্বান থাকবে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে থাকবেন। নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন করার ফাঁদে কেউ পা দিবেন না।
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জের ৮ নং ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুল কেন্দ্রে জামায়াত নেতা মাওলানা বশির উল্লাহর নেতৃত্বে সিল মারার খবরে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


































আপনার মতামত লিখুন :