নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, অন্য যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এবার তিনগুণ নিরাপত্তা বাহিনীর বলয় গড়া হয়েছে। র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, সিজিবি এবং আনসার প্রত্যেকেরই প্রত্যেকটি আসনে দুইটি করে স্টাইকিং আছে। সবমিলিয়ে ১০ থেকে ১২ টি স্টাইকিং ফোর্স প্রতিটি উপজেলা কাজ করবে। চর অঞ্চলে কোস্ট গার্ড এবং নৌ পুলিশের ফোর্স রয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচনী সরঞ্জাম সরবরাহে তদারকিকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. রায়হান কবির বলেন, আমাদের ৪২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১ জন কাজ করবেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো নারয়ণগঞ্জ জেলা নিরাপত্তার চাদরে আবৃত্ত করেছি। আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ বলে কোনো কথা নেই। আমরা ৭৯৭ টি সেন্টার নিয়েই সচেতন। তারপরও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৪৫১ টি সেন্টারে পুলিশের বডিঅন ক্যামেরা থাকবে। সেগুলোতে বাড়তি পুলিশ সদস্য থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ৫ টি সংসদীয় আসনে ৮ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কেন্দ্রভিত্তিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছেন। আমাদের কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সহ অন্যান্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা এবং প্রতিটি কেন্দ্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে মালামাল সংগ্রহ করেছে। তারা মালামাল নিয়ে যার যার কেন্দ্রে চলে যাবেন। তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিয়ে পৌঁছয়ে দেয়া হবে। অন্যান্য কাজগুলো সন্ধ্যার মধ্যেই শেষ করবেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, সারারাতব্যাপী পুরো জেলাতেই প্রচুর পরিমাণে স্টাইকিং এবং মোবাইল ফোর্স প্রস্তুত রাখছি। যাতে কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি।







































আপনার মতামত লিখুন :